শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন

পি কে হালদারসহ ১৪ জনের বিচার শুরু – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৪০ সময় দেখুন
পি কে হালদারসহ ১৪ জনের বিচার শুরু – Corporate Sangbad


অনলাইন ডেস্ক : অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে করা মামলায় এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পি কে হালদার) ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মাধ্যমে আসামিদের বিরুদ্ধে এ মামলায় আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২২ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

পিকে হাওলাদার ছাড়া মামলার অপর আসামিরা হলেন–পি কে হালদারের মা লিলাবতী হালদার, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রিতিশ কুমার হালদার, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায়, স্বপন কুমার মিস্ত্রি, অবন্তিকা বড়াল, শংখ বেপারী, সুকুমার মৃধা, অনিন্দিতা মৃধা।

এরমধ্যে অবন্তিকা বড়াল, শংখ বেপারী, সুকুমার মৃধা, অনিন্দিতা মৃধা কারাগারে আটক রয়েছেন। আজ তাদেরকে আদালতে হাজির করা হয়। তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার এবং মামলা থেকে অব্যাহতি চান। তবে আদালত তাদের আবেদন খারিজ করে দেন। এছাড়া পি কে হালদার ও অন্য ৯ আসামিকে পলাতক দেখিয়ে বিচার শুরু হয়েছে।

প্রসঙ্গগত, ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় ২৭৫ কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরপর তদন্ত করে পিকে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে সংস্থাটি।

মামলা সূত্রে জানা যায়, দেশের চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পি কে হালদার বিভিন্ন কোম্পানির নামে-বেনামে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা বের করে নেন। প্রতিষ্ঠান চারটি হলো- ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি)।

এর আগে এই চার প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কিনে নিজের নিয়ন্ত্রণ নেন পি কে হালদার। ২০২০ সালের শুরুর দিকে এই আর্থিক কেলেঙ্কারি জানাজানি হয়। তার আগেই ২০১৯ সালে দেশ ছাড়েন তিনি।

উল্লেখ্য, সাড়ে তিন হাজার কোটির বেশি টাকা আত্মসাৎ করে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যান পি কে হালদার। গত ১৪ মে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা থেকে পি কে হালদারকে গ্রেপ্তার করে ভারতের আর্থিক দুর্নীতিসংক্রান্ত তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তারা পি কে হালদারের পাঁচ সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের আগে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে পি কে হালদারের প্রাসাদসম বাড়িসহ অনেক সম্পদের সন্ধান পায়।

গত ৭ জুন ইডি আদালতকে জানায়, পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন এলাকায় পি কে হালদারসহ তার সহযোগীদের ৮৮টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সন্ধান পেয়েছে তারা। পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের ৩০০ কোটি টাকার সম্পদ পাওয়ার কথাও আদালতকে জানিয়েছেন ইডি।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর