মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৫ অপরাহ্ন

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ, তদন্তে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০২৪
  • ৮৫ সময় দেখুন
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ, তদন্তে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ


জবি করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইনের বিরুদ্ধে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দফতর সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম পান্থ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে দুই সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করার বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সুষ্ঠু তদন্তের লক্ষ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তাহসান আহমেদ রাসেল এবং যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ হীল বারী।

কমিটিকে আগামী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দফতর সেলে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

সম্প্রতি ৩০ জুন প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে আকতার হোসাইনের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনসহ দেশের কয়েকটি শীর্ষ গণমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নজরে এসেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগেরও। তাই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এক নেতা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই নেতা বলেন, ‘জবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসাইনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নজরে আসায় খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

সম্প্রতি দেশের কয়েকটি শীর্ষ গণমাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম আক্তার হোসাইনের বিরুদ্ধে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

২০২২ সালের ১ জানুয়ারি ইব্রাহিম ফরাজিকে সভাপতি ও এসএম আকতার হোসাইনকে সাধারণ সম্পাদক করে জবি শাখা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে জবি ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে টেন্ডার বাণিজ্য, নারীকর্মীদের শ্লীলতাহানি, নারী কর্মীদের রিসোর্টে নিয়ে যাওয়া, কমিটির একাধিক নেতাকে মারধর, একাধিক সাংবাদিককে মারধর ও হেনস্তা, ছিনতাই, চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে।

এর আগেও কমিটি ঘোষণার ৬ মাসের মাথায় বিভিন্ন অভিযোগে শাখা ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করা হয়েছিল।

সারাবাংলা/একে





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom