রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

সর্বজনীন পেনশন বিষয়ক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবি ইবি শিক্ষকদের

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: রবিবার, ২৬ মে, ২০২৪
  • ১০৭ সময় দেখুন
সর্বজনীন পেনশন বিষয়ক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবি ইবি শিক্ষকদের


ফরহাদ খাদেম, ইবি সংবাদদাতা ::

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত সার্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত নীতিমালার প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, প্রতিশ্রুতি সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভূক্তি এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতনস্কেল প্রবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শিক্ষক সমিতি। 

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে রোববার (২৬ মে) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের সামনে এই কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকরা। মানববন্ধনে আগামী ৪ জুনের মধ্যে তাদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে বৃহত্তর কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা।

কর্মসূচিতে ইবি শিক্ষক সভাপতি অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন সভাপতিত্ব এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মামুনুর রহমানের সঞ্চালনায় সংগঠনটির সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক নেতারা বক্তব্য রাখেন।

এসময় শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. এমতাজ উদ্দীন, অধ্যাপক ড. মিজানূর রহমান, অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন, অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ওয়ালীউল্লাহ, অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার, শাপলা ফোরামের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলাম, বর্তমান সভাপতি পরেশ চন্দ্র বর্মনসহ বিভিন্ন সংগঠনের শিক্ষক নেতা ও বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে সর্বজনীন পেনশন স্কিমকে একপেশে ও বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে শিক্ষকরা বলেন, পূর্বে যারা ষড়যন্ত্র করেছে, সার্বজনীন পেনশন স্কীমের ক্ষেত্রেও তারাই ষড়যন্ত্র করছে। তারা চায় বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন মেধাবী শিক্ষকরা না আসে। তারা চায় বিশ্ববিদ্যালয়ে যত অযোগ্য শিক্ষক আসবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ততো সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। প্রধানমন্ত্রী যখন পেনশন স্কীম চালু করে তখন এই প্রত্যয় স্কীম ছিলো না। হঠাৎ করেই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এটা যুক্ত করা হয়েছে। প্রশাসনের ঘাপটি মেরে থাকা দেশদ্রোহী কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র মূলকভাবে এসব কাজ করেছে।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা আমাদের জন্য মাঠে নামিনি। আমরা মাঠে নেমেছি অনাগত শিক্ষকদের জন্য। সার্বজনীন পেনশন নীতিমালা চালু হলে মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আগ্রহী হবে না। যত অযোগ্যরা আসবে একটি পক্ষের লাভ হবে। তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা তাদের সহজ হবে। এটা স্পষ্টত ষড়যন্ত্র। আগামী ৪ জুনের মধ্যে এই নীতিমালার প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার করা না হলে আরো বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom