মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কর্মশালায় বক্তারা / দেশে ৭১ শতাংশ মৃত্যুর কারণ অসংক্রামক রোগ, এফওপিএল নীতিমালা বাস্তবায়নের দাবি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ঢাকা বোর্ডের সামনে শিক্ষার্থীরা সচেতনতা কার্যক্রমে জাতীয় স্বীকৃতি, সেরা চারে ঠাকুরগাঁও লিগ্যাল এইড হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারে ইরানের হামলায় ভারতীয় নাবিক নিহত, আহত ৮ ‘We were talking at nets about…’: Shubman Gill opens up on 2027 World Cup planning with Virat Kohli | Cricket News ‘মাদকের মূল হোতারা বসে সংসদে, ধরা পড়ে কেবল বাহকরা’ Ranveer Singh To Begin Pralay Shoot In August?; Varun Badola Calls Satluj Ban ‘Robbery Under Broad Daylight’ | Bollywood News ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর দিলো হোয়াটসঅ্যাপ ‘মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ৯২ শতাংশই চিকিৎসা করেন না’ সিরির নতুন রূপ: বদলে যাচ্ছে আইফোনের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট

অবসাদ কমাতে সুনির্দিষ্ট জীবনপদ্ধতি

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৮৯ সময় দেখুন
অবসাদ কমাতে সুনির্দিষ্ট জীবনপদ্ধতি


লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রতিবছর এপ্রিল মাসটি অবসাদ প্রতিরোধে সচেতনতাবিষয়ক মাস হিসেবে পালিত হয়। আধুনিক জীবনে এই এক ক্ষতিকর অনুষঙ্গ স্ট্রেস, হতাশা বা অবসাদ। জীবনে অতিমাত্রায় স্ট্রেস থাকলে তা ব্যক্তিগত জীবন ও ক্যারিয়ার বিপর্যস্ত করে দিতে পারে। ফিজিক্যাল কিংবা ইমোশনাল যেকোন ধরনের স্ট্রেস মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। শারীরিক অনেক ধরনের অসুখ-বিসুখের কারণ হয় স্ট্রেস। যেমন: হার্টের সমস্যা, মাথাব্যথা, আলসার, চেহারায় বয়সের ছাপ, উচ্চ রক্তচাপ, রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়া সহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

কিছু সুনির্দিষ্ট জীবনপদ্ধতি মেনে চললে অবসাদ মোকাবিলা সহজ হয়। আসুন জেনে নেই অবসাদ মোকাবিলার কিছু প্রচলিত পদ্ধতির কথা।

১. সকালে অবশ্যই নাস্তা করবেন। কাজের তাড়া থাকলেও নাস্তা বাদ দেবেন না। নাস্তায় ভারি খাবার খাবেন। কারণ সারাদিনের কাজে শক্তি যোগায় সকালের নাস্তা। ক্লান্তিও দূর করে।

২. চা, কফি যতটা সম্ভব কম খাবেন। এতে স্ট্রেস কম থাকবে। কফির বদলে গ্রিন টি খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে ভাল। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি সারাদিন ক্লান্তিহীন থাকতে সাহায্য করে। রাতের খাবারের পর চা কিংবা কফি খাবেন না। এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

৩. অনেকের দুপুরে খাওয়ার পর ঘুমানোর অভ্যাস আছে। দুপুরে ঘুমালে রাতের ঘুমে সমস্যা হতে পারে। তাই দুপুরবেলার ক্লান্তি কাটানোর জন্য ৩০ মিনিট চোখ বন্ধ করে থাকতে পারেন। যারা অফিস করেন তারা দুপুরে খাবারের জন্য রেঁস্তোরায় না গিয়ে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে যেতে পারেন। বাড়ির খাবার স্বাস্থ্যসম্মত বলে মানসিক সুস্থতাও বজায় থাকবে।

৪. বাইরে গেলে পানির বোতল, খেজুর, ফল, হালকা স্ন্যাক্স সাথে রাখুন। অনেকসময় দোকানের কেনা খাবার খেলে অস্বস্তি লাগতে পারে। ফলে স্ট্রেস বেড়ে যায়।

৫. ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই ঘন্টা আগে রাতের খাবার সেরে ফেলুন।

৬. প্রতিদিন সকালে অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে শরীর থেকে এন্ডোফিন বের হয়, যা স্ট্রেস কমায় এবং পজিটিভ চিন্তা ভাবনা জাগিয়ে তোলে।

৭. পর্যাপ্ত পানি পান করুন। পানি খেলে দেহে অক্সিজেন সরবরাহ বজায় থাকে। শরীর থেকে ক্যামিকেল ও টক্সিন বের হয়ে যায়।

৮. ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে মাল্টিভিটামিন ট্যাবলেট খেতে পারেন। এতে শরীর সুস্থ থাকবে এবং স্ট্রেস কমে যাবে।

সারাবাংলা/এসবিডিই





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom