শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রোগী ধরার দালাল গ্রেপ্তার কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার কালিয়াকৈরে মৌচাক এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণের দাবিতে অবরোধ ও বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দারা ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিক রকিবুলের ওপর অতর্কিত হামলা, যুবক আটক হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৪০ বাকৃবির ১০ আবাসিক হলে নতুন প্রভোস্ট Joe Root scripts history, becomes first player to achieve this feat | Cricket News Top Ent News Aug 20: Dhanush To Enter Politics?; Govinda’s Manager Reacts To Sunita Ahuja Withdrawing Divorce Plea | Bollywood News ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ ঘিরে জামায়াতের প্রস্তুতি সভা মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগেই প্রার্থী নিয়ে গুঞ্জন, বিভ্রান্তিতে ভোটাররা

‘এসির বিস্ফোরণ’ থেকে কলকাতার হোটেলে আগুন, প্রাণহানি বাড়ার আশঙ্কা

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪১ সময় দেখুন
‘এসির বিস্ফোরণ’ থেকে কলকাতার হোটেলে আগুন, প্রাণহানি বাড়ার আশঙ্কা


ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৮ জন বাংলাদেশিসহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) বিস্ফোরণ থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত ২টার দিকে নিউ মার্কেটের পার্শ্ববর্তী মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলটির চারতলায় আগুন লাগার খবর পায় পুলিশ ও দমকল বাহিনী।

প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এরই মধ্যে হোটেলের একটি অংশ পুড়ে যায়।

মির্জা গালিব স্ট্রিট একেবারে কলকাতা নিউ মার্কেটের পাশেই অবস্থিত। নিউ মার্কেটের পেছনের অংশ এবং এর আশেপাশের বেশ কিছু প্রধান গলি সরাসরি মির্জা গালিব স্ট্রিটের (সাবেক ফ্রি স্কুল স্ট্রিট) সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, শহরের অন্যতম ব্যস্ত ও জনবহুল এই এলাকায় গভীর রাতে আগুন লাগে। এতে ভবনটির ভেতরে বেশ কয়েকজন অতিথি আটকা পড়েন এবং একটি বড় ধরনের উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

নিহত বাংলাদেশি আটজনের মধ্যে পুরুষ, নারী ও শিশু রয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজনকে ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আগুনে আহত কয়েকজনকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

কলকাতার ফায়ার সার্ভিসের বরাতে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, নিহতরা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় এসেছিলেন।

আগুন লাগার খবর পেয়ে চারটি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। একটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলও ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে যোগ দেয়।

একজন পুলিশ কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানান, ‘ঘন ধোঁয়ার কারণে দমকলকর্মীদের সিঁড়ি বেয়ে উপরের তলাগুলোতে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। নয়জন মারা গেলেও, আরও মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপাতত আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়েছে। আমাদের অগ্রাধিকার হলো আটকা পড়াদের উদ্ধার করা এবং আগুন লাগার কারণ নির্ণয় করা। ’

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হোটেলটিতে ন্যূনতম অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না। আগুন লাগার সময় হোটেলের বিভিন্ন কক্ষে অনেকেই ঘুমিয়ে ছিলেন। বাইরে থেকে আগুনের শিখা দেখা যাচ্ছিল না বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। শুধু কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যাচ্ছিল। আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়তেই হোটেলের ভেতর থেকে বহু মানুষ বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন।

অভিযোগ রয়েছে, হোটেলের প্রবেশ-বেরোনোর পথ খুবই সংকীর্ণ। এতে করে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়। এখন পর্যন্ত ৬০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তাদের মধ্যে অনেকেই অচেতন হয়ে পড়েন। তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এদিকে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হোটেলে আটকা থাকায় অবস্থাতেই অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের শরীরে পোড়ার চিহ্ন রয়েছে। তবে চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাদের। তবে ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর আসল কারণ স্পষ্ট হবে। কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

কলকাতা পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে এবং হোটেলের মালিক ও পলাতক কর্মীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো, এই ঘটনায় মাত্র একটি একটি বিল্ডিং পরেই রয়েছে দমকলের অফিস। আর সেখানেই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছিল এই হোটেল।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom