মো. সিরাজুল ইসলাম, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর শিকলবাহা ক্রসিং এলাকায় রাস্তার অর্ধেকটা দখল করে বসেছে কাঁচা বাজার। পাশে ঘেঁষে যাচ্ছে শত শত গাড়ি। কারোই কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই সেদিকে। সড়কে সৃষ্ট যানজট দেখেও না দেখার ভান করছে দোকানিরা। মাথা উঠালে চোখে পড়ে সারি সারি মাইক্রোবাস, ট্রাক, সিএনজি রাস্তায় সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
এছাড়াও বিশেষ কারো নজরদারীতে না থাকায় ইজারাদার ইচ্ছামত হাসিল আদায় করছে। এভাবে গলাকাটা হাসিল আদায়ে ব্যবসায়ীরা দুঃখ প্রকাশ করেছে।
ক্রসিং কাঁচা বাজার ব্যবসায়ীরা বলেন, নিয়মিত ব্যবসায়ীদের থেকে ৩৫০-৪০০ টাকা হাসিল নেওয়া হয়। আর অনিয়মিত ব্যবসায়ী থেকে ৫০০-১০০০ টাকা করে হাসিল আদায় করা হয়। তারা বলেন, এটা বিকালের বাজার। বিক্রেতার তুলনায় ক্রেতা কম। এখনো অনেক ব্যবসায়ী আছে এক টাকা বিক্রি করতে পারে নাই। বশর ও সাজ্জাদ নামে ব্যক্তিরা তাদের থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করার অভিযোগও উঠেছে।
ক্রসিং বাজারের স্থায়ী দোকানীরা বলেন, ক্রসিং বাজারটি সপ্তাহে দুই দিন বসে। শত শত মানুষের সমাগম ঘটে। বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন মানুষ আসে বাজার করতে।
সড়কপথে কাঁচাবাজার গড়ে ওঠার কারণে গাড়ি চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বাজারটি বিকল্প স্থানে সরানো প্রয়োজন।
বাজারের পার্শ্ববর্তী বাসিন্দারা বলেন, সড়ক পথে বাজার যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এছাড়াও অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন, আমরাও শুনেছি। ১০-২০ কেজি মাছ বিক্রি করে যদি ৫০০-১০০০ টাকা হাসিল দিতে হয় তাহলে তারা ব্যবসা কিভাবে করবে। তাদেরও পরিবার আছে। এ অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
অভিযুক্ত বশরের সাথে মুঠোফোনে কথা হয়, সে বলে আমি কিছু জানিনা। আপনারা এসি ল্যান্ডকে জিজ্ঞেস করেন।
সহকারী কমিশনার( ভূমি ) রয়া ত্রিপুরা বলেন, অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কোন সুযোগ নেই। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি।