মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘পুশইন রুখে দিতে বিজিবিকে সহযোগিতায় প্রস্তুত জনগণ’ ‘I worry for him’: Brendon McCullum breaks silence on Ben Stokes nightclub controversy | Cricket News Tanya Mittal Reacts To Gullu-Bhagyashree Controversy: ‘Meri Kisi Se Aisi Koi Ladai Nahi Hai’ | Television News এঞ্জেল কেয়ার একাডেমির অধ্যক্ষ নুরুল আমিনকে অপহরণের চেষ্টা, এলাকায় চরম উত্তেজনা বাংলাদেশ ফিজিক্যাল সোসাইটির নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর সম্পন্ন দীঘিনালায় পিসিপির কলেজ ও থানা কমিটির যৌত কাউন্সিল অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি হলেও ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে ডিসেম্বরের মধ্যেই সব স্কুলে পরিমার্জিত নতুন বই পৌঁছে যাবে: শিক্ষামন্ত্রী কর্ণফুলীতে সাম্পান খেলা ও চাটগাঁইয়া সাংস্কৃতিক মেলার আয়-ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন 64-run hammering! Deepti Sharma and Richa Ghosh sink Pakistan as India begin T20 World Cup with big win | Cricket News

‘পুশইন রুখে দিতে বিজিবিকে সহযোগিতায় প্রস্তুত জনগণ’

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ৩৯ সময় দেখুন
‘পুশইন রুখে দিতে বিজিবিকে সহযোগিতায় প্রস্তুত জনগণ’


ঢাকা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, লাল-সবুজ পতাকার ভূখণ্ড রক্ষায় এদেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ৩২ জেলার জনগণ পুশইন রুঁখে দিতে বিজিবিকে সহযোগিতায় প্রস্তুত আছে।

ভারত কর্তৃক বাংলাদেশে পুশইন, সীমান্ত হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয় এবং বন্ধুত্বে বিশ্বাসী। কিন্তু কেউ যদি বন্ধুত্বের বেশে দাদাগিরি করতে চায়, তবে এদেশের জনগণ সেটি মেনে নেয় না, নেবে না।’ এ সময় তিনি ১৯৪৭-এর কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সীমান্ত সমস্যা সমাধানে ন্যায্যতা ও সমতার ভিত্তিতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে আমরা সম্পর্ক চাই। এদেশের জনগণ কারও কোনো আধিপত্যবাদী আগ্রাসনের কাছে মাথানথ করেনি, করবে না।’

সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘অভিন্ন আকাশের স্বপ্ন ১৯৪৭ সালে ভারত ভঙ্গ করেছিল। তারা মুসলিম কার্ড খেলা করে মুসলমানদের ওপর জুলুম- নির্যাতন চালিয়েছে। সেখান থেকেই আমরা অভিন্ন ভারতের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠতে বাধ্য হয়েছিলাম।’

তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘যদি মুজিববাদের পথে হাঁটেন, তবে আবারও মুজিববাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।’

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘আমাদের দেশের সীমান্তে ভারত প্রতিদিন হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে, পুশইন করছে। জনগণ উদ্বিগ্ন হলেও আমাদের সরকার উদ্বিগ্ন নয়। সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছে এটি বর্ডার কিলিং নয়! তাহলে বর্ডার কিলিং কাকে বলে সেটি স্পষ্ট করতে হবে।’

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টির) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণকে বুঝা দরকার সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের নামে যা ঘটছে, তা আমাদের স্বাধীনতার ওপর হুমকি।’ তিনি ভারতের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের দাসত্বের আওয়ামী লীগ এদেশে আর ফিরবে না। এদেশের মানুষ বিপ্লবী, প্রতিবাদী।’

বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের দালাল হলেই নিয়োগ দেওয়া হয়; নাকি নিয়োগ পাওয়ার পর এরা দালাল হয়ে যায়। আজকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলছেন দীপু মনির ভাষায়, হাসান মাহমুদের ভাষায়।’ তিনি শুভেন্দু অধিকারী ও শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দাবি করে তাদের বাংলাদেশে পুশইন করার আহ্বান জানান।

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার নতজানু পররাষ্ট্র নীতি গ্রহণ করায় ভারত সেই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে। বিএনপি মদিনা সনদে দেশ পরিচালনা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এখন মোদির সনদে দেশ পরিচালনা করছে। যারাই মোদির সনদে চলেছে তাদের ঠিকানা ভারতে হয়েছে।’

সভাপতির বক্তব্যে ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘জুলাইয়ের চেতনা ছিল আধিপত্যবাদের দোসর ফ্যাসিবাদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে। জুলাইয়ে আকাঙ্ক্ষা ছিল- আধিপত্যবাদের দোসর ও ফ্যাসিবাদের বিদায়ের পর সীমান্তে আর কোনো হত্যা হবে না। কিন্তু বিপ্লব পরবর্তী নতুন সরকারও ভারতীয় সেবাদাস সরকারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।’ ভারতের আগ্রসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে না পারলে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে ভারত চলে যেতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদের সভাপতিত্বে ও ঢাকা মহাগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক এবং দক্ষিণের সহকারি সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল বাতেন আনসারী, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নেয়ামুল বশির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইনসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।

প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে, সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে শাহবাগ শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেস ক্লাব হয়ে পল্টন গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারাসহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom