আনিসুল হক: শোকাবহ পরিবেশে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে অষ্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার ড্রেজনারট্রাসে ২২ আগস্ট রবিবার বিকেলে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অষ্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের উদ্দোগে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম ও পরিচালনা করেন, সাধারণ সম্পাদক শাহ সাইফুল ইসলাম কবির।
সভায় প্রধান অথিতি ছিলেন, সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি, অস্ট্রিয়া প্রবাসী লেখক, মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিক এম. নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সর্ব ইউরোপীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বায়জিদ মীর।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অষ্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আকতার হোসেন, সামছুল ইসলাম, রুহি দাস সাহা, মিজানুর রহমান শ্যামল,সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফর রহমান সুজন, দপ্তর সম্পাদক ইমরুল কয়েস, অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুর রহমান বাবুল, সাইফুল ইসলাম জসিম, মনোয়ার পারভেজ, কাঞ্চন মোল্লা ও শেখ আবদুল হাকিম প্রমুখ।
সভায় এম. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘একুশে আগস্ট হত্যাযজ্ঞের পেছনে উদ্দেশ্য ছিল বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের হত্যা ও আওয়ামী লীগকে সমূলে উৎখাত। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের হত্যাকান্ডের সঙ্গে ২০০৪ সালের হত্যাচেষ্টার উদ্দেশ্যের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। পার্থক্য একটাই, ১৯৭৫ সালে এই উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। ২০০৪ সালে তা ব্যর্থ হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় নেতাদের হত্যাকান্ডে নেপথ্য নায়কদের একজন ছিলেন, জেনারেল জিয়াউর রহমান। ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার নেপথ্য নায়কদের প্রধান জেনারেল জিয়াপুত্র তারেক রহমান।’
তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সন্ত্রাস ও লুটপাটের রাজপুত্র তারেক জিয়াকে অভিলম্বে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।’
খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, তৎকালীন বিএনপি-জামায়েত জোট সরকার এই ঘটনার সাথে জড়িত ছিল, যা বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেই তদন্তে উদঘাটিত হয়েছে। তিনি বলেন, একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
সভায় একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানসহ নিহতদের রুহের মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করে দোয়া করা হয়।