শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন

ভূঞাপুরে সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা, অভিযোগের এক ঘণ্টায় একজন আটক

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৪৩ সময় দেখুন
ভূঞাপুরে সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা, অভিযোগের এক ঘণ্টায় একজন আটক

খায়রুল খন্দকার টাঙ্গাইল :টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অবৈধভাবে নকল তামাকজাত পণ্য (জর্দা) তৈরির কারখানায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের এক ঘণ্টার মধ্যে শাকিল (২৪) নামে একজনকে আটক করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ। তবে ঘটনায় অভিযুক্ত আরো দুইজন পলাতক রয়েছেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কালা সড়ক সংলগ্ন কুকাদাইর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ আলী (৬০) ও তার দুই ছেলে মিজান (৪০) ও শাকিল (২৪) দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদন ও নিবন্ধন ছাড়াই জর্দা তৈরি ও বাজারজাত করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ওই কারখানায় অভিযান চালিয়ে অর্থদণ্ড ও কারখানা বন্ধের নির্দেশ দেয়। পরে গোপনে কারখানা চালুর খবর পেয়ে সাংবাদিকরা সেখানে সংবাদ সংগ্রহে যান।

এ সময় সাংবাদিকদের গালিগালাজ, পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা, আঘাতের চেষ্টা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে বিষয়টি ইউএনও মো. মাহবুব হাসান ও ওসি একেএম রেজাউল করিমকে জানানো হয়। এতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। পরে প্রশাসনের নির্দেশনায় তাৎক্ষণিক কারখানাটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় চ্যানেল এস টেলিভিশনের সংবাদ প্রতিনিধি হাদী চকদার ও বৈশাখী টেলিভিশনের প্রতিনিধি দুলদুল হোসেন রাজু সহ পাঁচ সাংবাদিক রাতেই অভিযুক্ত ওই তিন জনের বিরুদ্ধে ভূঞাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
পরে সেই অভিযোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে শাকিল নামে এক অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ। তবে ঘটনায় আরো ২ জন অভিযুক্ত এখনো পলাতক রয়েছেন।

রিপোর্টর্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ও চ্যানেল এস টেলিভিশনের প্রতিনিধি হাদী চকদার বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এমন আচরণ আমরা কখনোই প্রত্যাশা করি না। আমরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে অঙ্গীকারবদ্ধ। এ ঘটনায় দ্রুত আইনি সহায়তা দেওয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই।

থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই শাকিলকে আটক করা হয়েছে। বাকি দুজনকেও আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর