যখন তুমি কাউকে ভালোবাসো, তখন তাকে পুরোটা হৃদয় দিয়েই ভালোবাসো, তোমার সবটা দিয়েই ভালোবাসো। তুমি নিজে কতটা কষ্ট পাচ্ছ, সেদিকে তোমার খেয়ালই থাকে না, কেননা তার সঙ্গে থেকে যাবার জন্য
শব্দ গুলো আকাশে উড়ছে যত্রতত্র এলোমেলো। ধরে এনে কলমের ডগায় বসিয়ে দিলেই কিছু একটা হয়ে গেলো। পাখির মত হেথাসেথা উড়ছে কতশত শব্দ। খাঁচার পাখির মত তারাও একদিন হয়ে যায় জব্দ।
The height of stupidity: You gave everything to someone who gave you only betrayal in return. Now you want everything from someone whom you don’t want to give anything in
বিষণ্ণতা কেন তৈরি হয়? কিংবা কেন দিন দিন বেড়েই চলে? অনেক কারণই থাকতে পারে এর পেছনে। কয়েকটা বলছি: হয়তো তার ব্যথাগুলি বোঝার মতো একটি মানুষও নেই এই পৃথিবীতে। হয়তো তার
সে যখন বলেছিল, তোমাকে ভীষণ ভালোবাসে, সেই সময়টার কথা মনে পড়ে? সে যখন বলেছিল, সারাজীবন একসঙ্গে থাকবে, সেই সময়টার কথা মনে পড়ে? কিংবা সেই সময়টা…যখন সে শপথ করে বলেছিল, কখনও
তুমি অসংখ্য বার ‘শুভ সকাল’ লিখো আর ব্যাকস্পেস চেপে মুছে ফেলো। তুমি তার পছন্দের খাবারটা অর্ডার করো এবং পরে আবার অর্ডার বাতিল করে দাও এই ভেবে যে এটা করা ঠিক
আমার কাছে এই জীবন মানে কী? এই প্রশ্নটা নিজেকে কখনওই করা হয়ে ওঠেনি! গোটা একটা সুন্দর দিন পার করে, রাতের নির্জনতায় কিছু আত্মতৃপ্তি, কিছু একান্ত সুখ, কিছুটা প্রকৃতিসঙ্গে নিজেকে একটুখানি
যার-তার কাছে নিজের অবস্থানটা ব্যাখ্যা করবেন না। যার কাছে কৈফিয়ত দেওয়ার দরকার নেই, তার কাছে কখনওই কৈফিয়ত দেবেন না। বান্দরকে লাই দিলে মাথায় ওঠে, আর মানুষকে লাই দিলে মাথায় উঠে
এবং, অনেক দিন পর, অনেক ভেবেচিন্তে, অবশেষে কাজটা সে করেই ফেলল। শেষমেশ সব কিছুই সে তার নিজের হাতে নিজেই শেষ করে দিল। হ্যাঁ, নিজের জীবন থেকে অবলীলায় সে মুছে ফেলল
আবার সোনালি দিনে প্রিয় বিদ্যাঙ্গনে জমবে প্রাণের মেলা এ আশায় বাঁধি বুক, আবার খেলার মাঠে কলেজ পুকুরঘাটে বন্ধু-সহপাঠীর আড্ডা জমে উঠুক। শুভ্র পোষাকসাজে জরুরি ক্লাসের কাজে শিক্ষার্থীর ঢল নামবে কলেজ