শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন

Potters Face Livelihood Crisis: সরকারি নিয়মের কারণে জীবিকা সঙ্কটে পড়েছেন মৃৎশিল্পীরা | দক্ষিণবঙ্গ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ১০৭ সময় দেখুন


Last Updated:

মৃৎশিল্পীদের প্রধান ভরসা এঁটেল মাটি। নদী থেকে সেই মাটি আনতে গিয়েই পড়তে হচ্ছে আইনি জটিলতায়। সরকারি ছাড়পত্র না থাকায় সরাসরি নদী থেকে মাটি তুলতে পারছেন না মৃৎশিল্পীরা। ফলে গ্রামের বাসিন্দাদের কাছ থেকে বেশি দাম দিয়ে ঘুরপথে মাটি কিনতে বাধ্য হচ্ছেন

+

জীবিকা

জীবিকা সঙ্কট

বসিরহাট, উত্তর ২৪ পরগণা, জুলফিকার মোল্যা: আদৌ ঐতিহ্য রক্ষা করা যাবে? সঙ্কটে পড়ে হন্যে হয়ে এই উত্তর খুঁজছেন বসিরহাটের মৃৎশিল্পীরা। উত্তর ২৪ পরগণার বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট-১ ব্লকের সংগ্রামপুর-শিবহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের কামারডাঙা গ্রামে প্রায় একশো জন কুমোর তথা মৃৎশিল্পী বসবাস করেন। বংশপরম্পরায় তাঁরা তৈরি করে আসছেন মাটির হাঁড়ি, কলসি, প্রদীপ, ঘট থেকে শুরু করে মণ্ডপসজ্জার টব। এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাংলার বহু পুরনো সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য।

কিন্তু আজ সেই শিল্পই টিকে থাকার লড়াই লড়ছে। মৃৎশিল্পীদের প্রধান ভরসা এঁটেল মাটি। নদী থেকে সেই মাটি আনতে গিয়েই পড়তে হচ্ছে আইনি জটিলতায়। সরকারি ছাড়পত্র না থাকায় সরাসরি নদী থেকে মাটি তুলতে পারছেন না মৃৎশিল্পীরা। ফলে গ্রামের বাসিন্দাদের কাছ থেকে বেশি দাম দিয়ে ঘুরপথে মাটি কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এক ভ্যান মাটির দামই পড়ছে প্রায় ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা। ফলে মাটির শিল্পকর্মের খরচ আগের থেকে অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন মৃৎশিল্পীরা।

আরও পড়ুন: গণেশ পুজোয় অপারেশন সিঁদুর! সিদ্ধিদাতার টানে জনজোয়ার

এই সঙ্কটে পড়ে ইতিমধ্যেই অনেক পরিবার পেশা বদলাতে বাধ্য হয়েছে, ফলে কমে যাচ্ছে কর্মসংস্থানও। দুর্গাপুজো কিংবা উৎসবের সময় কিছুটা চাহিদা বাড়লেও বছরের বাকি সময় অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটে। শিল্পীরা বলছেন, যদি কাঁচামালের সমস্যা মেটে এবং সহজে ঋণ বা সরকারি ভর্তুকি মেলে, তবে নতুন প্রজন্মও এই পেশায় আসতে আগ্রহী হবে।



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর