রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মেধাবীদের ল্যাপটপ-ট্যাব পুরস্কার, শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণের প্রত্যয়ে প্রবাহের সমাপনী অনুষ্ঠান মোহনপুরে পারিবারিক দ্বন্দ্বে নিহত ১ যুব সমাজকে বাঁচাতে মিলনপুরে মাদকবিরোধী সমাবেশ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায় শিশু মাসুদ, চিকিৎসার জন্য সহায়তার আবেদন খরুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মনোনীত হলেন আবদুল্লাহ আল আজিজ জাহানারা ইমামকে ‘জাহান্নামের ইমাম’ বললেন-রাকসু’র সংস্কৃতি সম্পাদক যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকারী অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা ‘Can’t believe it’: Ex-England captain stunned by Vaibhav Sooryavanshi snub | Cricket News মসজিদে চেয়ার-টেবিল বসিয়ে জামায়াতের সভা Khushbu Sundar Gets Emotional As Daughter Avantika Marries Shravan Sreenivasan: ‘Eyes Are Still Moist’ | Tamil Cinema News

বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে চিরতরে মুছে দিতেই পঁচাত্তরের হত্যাকাণ্ড- জুনাইদ আহমেদ পলক

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০২২
  • ২৩৭ সময় দেখুন
বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে চিরতরে মুছে দিতেই পঁচাত্তরের হত্যাকাণ্ড- জুনাইদ আহমেদ পলক


জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে আজ (১৭ আগস্ট ২০২২) আইসিটি টাওয়ারের অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আইসিটি বিভাগের পক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেন, প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ করা হবে। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল বৈষম্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্প দিয়েছিলেন। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্কিটেক্ট সজীব ওয়াজেদ এর অনুপ্রেরণায় গত ১৩ বছরে প্রযুক্তির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে শহর-গ্রাম, ধনী-দরিদ্রদের মধ্যে কিছুটা হলেও বৈষম্য দূর করা সম্ভব হয়েছে। নারী-পুরুষের বিভেদ, বৈষম্য দূর করার চেষ্টা আমরা চালিয়ে যাচ্ছি।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৭১ এর পরাজিত অপশক্তি পরাজয়ের গ্লানির প্রতিশোধ নেয়ার জন্যই ঘাতকচক্র শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদের, এমনকি ১০ বছরের নিষ্পাপ শিশু শেখ রাসেলকেও হত্যা করেছে। কারণ তারা চেয়েছিল বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানেও যেন বঙ্গবন্ধুর পরিবারের কেউ তার আদর্শকে ধরে রাখতে না পারে। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর উত্তরসূরী ও অনুসারী কেউ যেন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা লালন করতে না পারে তার জন্য এ হত্যাকান্ড।

পলক আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বিভেদের যে বিষবৃক্ষ রোপন করা হয় তার শাখা, প্রশাখা আজ বিস্তৃত। তিনি বলেন জিয়া, এরশাদ এবং খালেদা জিয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে মিথ্যা অপবাদ এবং অপপ্রচার করে একটি বিভক্ত সমাজ তৈরি করতে চেয়েছিল। তিনি বলেন সরকার পরিবর্তন হয় কিন্তু ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধী এবং যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ওয়াশিংটনকে নিয়ে কখনও সমালোচনা করতে শোনা যায় না। পচাত্তার পরবর্তী দীর্ঘ ২১ বছর বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযোদ্ধ এবং স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়। তিনি আরও বলেন যে মানুষ মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকেন তাকে কেউ মারতে পারে না। বঙ্গবন্ধু সবসময় মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকতেন। মৃত্যুকে ভয় পেতেন না। বঙ্গবন্ধুকে দৈহিকভাবে হত্যা করলেও ঘাতকেরা তার আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি।

প্রতিমন্ত্রী  ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে হত্যা নিছক একটি হত্যাকান্ড নয় উল্লেখ করে বলেন এটি ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে চিরতরে নসাৎ করার একটি সুদূর প্রসারী ষড়যন্ত্র। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা এবং ডক্টরেট দেওয়া হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী পৃথিবীর ২০০টি রাষ্ট্রে পালিত হয়েছে। এখন প্রত্যেককে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে সোনার মানুষে পরিণত হতে হবে। তিনি সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সহ সকলকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করার জন্য আহ্বান জানান।

এর আগে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হতে পাঠ এবং ১৫ আগস্টে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে ০১ (এক) মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (গ্রেড-১) বিকর্ণ কুমার ঘোষ মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের অবদান, বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্র দর্শন ও সোনার বাংলা বিনির্মাণে পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর রাষ্ট্রের চরিত্র বদলে যায়। সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা উঠিয়ে দেয়া হয়। দেশে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও শক্তির উত্থান ঘটে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে তারা অধিষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে আইসিটি বিভাগ ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারিগণ উপস্থিত ছিলেন। আইসিটি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom