বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন

সাবেক ভূমি মন্ত্রীর স্ত্রীর গাড়িচালকের বাড়িতে দুদকের তল্লাশি, জব্দ ২৩ বস্তা নথিপত্র

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৬৮ সময় দেখুন
সাবেক ভূমি মন্ত্রীর স্ত্রীর গাড়িচালকের বাড়িতে দুদকের তল্লাশি, জব্দ ২৩ বস্তা নথিপত্র

মো. সিরাজুল ইসলাম কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের স্ত্রী রুকমিলার গাড়িচালক ইলিয়াস’র বাসায় তল্লাশি চালিয়ে ২৩ বস্তা নতিপত্র উদ্ধার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)।
দেশে দুর্নীতি ও বিদেশে পাঁচ শতাধিক বাড়ির মালিক হওয়ার পিছনে যে রহস্য ঘিরে আছে তা অনুসন্ধানে দুদকের এ তল্লাশি অভিযান।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ৩ টা থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত শিকলবাহা ইউনিয়ন ৭ নম্বর ওয়ার্ড ফকিরা মসজিদ তালুকদার বাড়িতে এ তল্লাশি অভিযান চালায়।

দুদকের উপপরিচালক মশিউর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে পাওয়া নথিগুলো ঢাকায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধার করা কাগজপত্রে বিদেশে সম্পদ ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে।

এর আগে শুক্রবার একই স্থানে অভিযান চালানো হলে গাড়িচালক ইলিয়াস তালুকদার নথিপত্র সরিয়ে ফেলেন। পরে সিসিটিভি ফুটেজে বিষয়টি ধরা পড়ায় আবারও অভিযান চালিয়ে সেগুলো উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় ইলিয়াস তালুকদারকে পাওয়া না গেলেও তার স্ত্রী লাকী আক্তার (৩০) ও সহযোগী সাইফুদ্দিন তালুকদারের স্ত্রী জুমা আক্তারকে (২৬) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়। তবে মুচলেখা নিয়ে পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

অভিযানে থাকা দুদকের কর্মকর্তারা জানান, এর আগে শুক্রবার রাতেও ইলিয়াসের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে অভিযানের আগে তিনি এসব নথিপত্র নিজ ঘর থেকে সরিয়ে পাশের একটি ঘরে রাখেন। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে বিষয়টি ধরা পড়ার পর আবারও বাড়িটিতে অভিযান চালানো হয়।
দুদক চট্টগ্রামের উপপরিচালক সুবেল আহমেদ জানান, উদ্ধারকৃত নথিগুলো ঢাকায় নিয়ে যাচাই করা হচ্ছে। পর্যালোচনার পর জানা যাবে, নথিগুলোতে কোন ধরনের তথ্য আছে।

দুদক ঢাকার উপপরিচালক মশিউর রহমান বলেন, ‘আমরা রুখমিলা জামান চৌধুরীর গাড়ির চালক মো. ইলিয়াস তালুকদারের বাড়ি থেকে ২৩ বস্তা নথিপত্র উদ্ধার করেছি। এগুলো পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।’

মশিউর আরও বলেন, ‘আগে আমরা চারটি দেশে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বাড়ি থাকার বিষয়ে তথ্য পেয়েছিলাম। এখন আরও পাঁচটি দেশে তাঁর বাড়ি থাকার বিষয়ে জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে কোনো তথ্য জব্দ হওয়া কাগজপত্রগুলোতে রয়েছে কি না, তা খুঁজে দেখা হবে।’

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom