বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন

১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে নোটিশ জজ মিয়ার – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০২২
  • ২০৯ সময় দেখুন
১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে নোটিশ জজ মিয়ার – Corporate Sangbad


অনলাইন ডেস্ক : ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলার খালাস পাওয়া আসামি জজ মিয়া ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে নোটিশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) জজ মিয়ার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব স্বরাষ্ট্রসচিব, আইজিপি, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১১ জন বরাবরে এ নোটিশ দেন।

নোটিশে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন নেতা সেদিন অল্পের জন্য ভয়াবহ হামলা থেকে বেঁচে যান। তবে আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমান ও অপর ২৪ জন এতে নিহত হন। এ ছাড়া এ হামলায় আরও ৪০০ জন আহত হন। তাদের অনেকেই চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছেন। তাদের কেউ কেউ আর স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাননি।

বিএনপি জোট সরকার এ হামলা মামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে প্রথম থেকেই। প্রথমে গ্রেফতার করা হয় শৈবাল সাহা পার্থ নামে এক তরুণকে। কদিন পর গ্রেফতার করা হয় মগবাজার এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের নেতা মোখলেছুর রহমানকে। তাদের ফাঁসাতে না পেরে পরের বছর ২০০৫ সালের ৯ জুন নোয়াখালীর সেনবাগ থেকে ধরে আনা হয় জজ মিয়া নামের এক যুবককে। জজ মিয়াকে ১৭ দিন রিমান্ডে রেখে, ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে একটি সাজানো জবানবন্দি আদায় করে সিআইডি।

২০০৫ সালের ২৬ জুন আদালতে দেয়া ওই কথিত স্বীকারোক্তিতে জজ মিয়া বলেছিলেন, তিনি আগে কখনো গ্রেনেড দেখেননি; গ্রেনেড ও বোমার মধ্যে পার্থক্য তিনি জানেন না। পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে বড় ভাইদের নির্দেশে তিনি অন্যদের সঙ্গে গ্রেনেড হামলায় অংশ নেন। ওই বড় ভাইয়েরা হচ্ছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন, জয়, মোল্লা মাসুদ, মুকুল প্রমুখ।

পরে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসে নতুন করে এ মামলার তদন্তের উদ্যোগ নেয়। তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ১১ জুন এ-সংক্রান্ত মামলা দুটির অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি।

জজ মিয়া দাবি করেন, তাঁকে ভয়ভীতি দেখিয়ে গ্রেনেড হামলায় জড়িত থাকার জবানবন্দি আদায় করা হয়। এরপর অব্যাহতি দেওয়া হয় জোট সরকারের আমলে গ্রেপ্তার হওয়া জজ মিয়াকে। পাঁচ বছর তিনি কারাগারেই ছিলেন।

আরও পড়ুন:

সুইস ব্যাংকের কাছে তথ্য না চাওয়ার কারণ জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

ওসির বিপুল সম্পদ, এভাবে দুর্নীতি-অনিয়ম চলতে পারে না: হাইকোর্ট

বিয়ে না করে সন্তান জন্ম: কিশোর-কিশোরীর অভিভাবককে তলব





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর