বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন

আন্তরিকতার সাথে দ্বীনের দাওয়াত দিতে থাকবো ইনশাল্লাহ: গাজী মনির

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২৯৩ সময় দেখুন
আন্তরিকতার সাথে দ্বীনের দাওয়াত দিতে থাকবো ইনশাল্লাহ: গাজী মনির

“হযরত সাহল ইবনু সা’দ (রা:) থেকে বর্ণিত: নবী করিম (স:) বলেন, “আল্লাহর শপথ! যদি তোমার চেষ্টা দ্বারা আল্লাহ একজন লোককেও হেদায়েত দেন, তবে তা হবে তোমার জন্য একপাল লাল উটের চেয়েও উত্তম।” [সহিহ সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং – ৩৬৬১]

একসময় মরুভূমির দেশগুলোতে উট খুবই মূল্যবান প্রাণী হিসেবে বিবেচিত হতো। পবিত্র কুরআনে মাজীদের সূরা তাহরীমের ০৬ নাম্বার আয়াতে বলা আছে, ” তোমার পরিবার – পরিজনদের জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর।”

এছাড়া কুরআন ও সহিহ হাদিসসমূহে মানুষদের আল্লাহ্ প্রদত্ত বিধানমত জীবন পরিচালনার দাওয়াত দেবার জন্য বেশী বেশী তাগিদ দেয়া হয়েছে। ঠিকমতো দাওয়াত না পৌঁছালে কিয়ামতের ময়দানে নিজের আশেপাশের লোকদের অভিযোগের সম্মুখীন হতে হবে। সূরা হা-মীম সাজদাহ্ এর ৩৩ নাম্বার আয়াতে উল্লেখ্য, “তার চেয়ে আর কে উত্তম কথার অধিকারী হতে পারে যে মানুষকে ডাকে আল্লাহর পথে, সৎকর্ম করে এবং বলে নিশ্চয়ই আমি মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত।”

আবার সূরা নাহলের ১২৫ নাম্বার আয়াতে বর্ণিত রয়েছে, “তুমি মানুষকে প্রজ্ঞা ও সদুপদেশ দ্বারা তোমার প্রতিপালকের পথে আহবান কর এবং তাদের সাথে সদ্ভাবে আলোচনা কর।” পাশাপাশি তিরমিজি শরীফের একটি হাদিসে সন্নিবেশিত আছে যে, নবীয়ে কারীম (স:) বলেছেন, “আল্লাহ্ তা’আলা সেই ব্যক্তির মুখ উজ্জ্বল করুণ, যে আমার কোনো হাদিস শুনেছে এবং যেভাবে শুনেছে, সেভাবেই তা অপরের নিকট পৌঁছিয়েছে।”

এমতাবস্থায়, উপর্যুক্ত হাদিসের মর্মার্থ ও গুরুত্ব বিশেষভাবে অনুধাবন ও গভীরভাবে হৃদয়ঙ্গম করে আমরা পরপারে অর্থাৎ মৃত্যু পরবর্তী সময়ে মহামহিম ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে অগণিত ও অফুরন্ত নিয়ামত ভরা জান্নাত প্রাপ্তির অভিপ্রায়ে সাধ্যমতো নিজ সাধ্যমতো আশেপাশের সবাইকে খুবই আন্তরিকতার সাথে দ্বীনের দাওয়াত দিতে থাকবো – ইনশাল্লাহ।

লেখক: গাজী মনির হোসেন
আমীর, তুরাগ মধ্য থানা
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom