মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কর্মশালায় বক্তারা / দেশে ৭১ শতাংশ মৃত্যুর কারণ অসংক্রামক রোগ, এফওপিএল নীতিমালা বাস্তবায়নের দাবি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ঢাকা বোর্ডের সামনে শিক্ষার্থীরা সচেতনতা কার্যক্রমে জাতীয় স্বীকৃতি, সেরা চারে ঠাকুরগাঁও লিগ্যাল এইড হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারে ইরানের হামলায় ভারতীয় নাবিক নিহত, আহত ৮ ‘We were talking at nets about…’: Shubman Gill opens up on 2027 World Cup planning with Virat Kohli | Cricket News ‘মাদকের মূল হোতারা বসে সংসদে, ধরা পড়ে কেবল বাহকরা’ Ranveer Singh To Begin Pralay Shoot In August?; Varun Badola Calls Satluj Ban ‘Robbery Under Broad Daylight’ | Bollywood News ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর দিলো হোয়াটসঅ্যাপ ‘মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ৯২ শতাংশই চিকিৎসা করেন না’ সিরির নতুন রূপ: বদলে যাচ্ছে আইফোনের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট

রোজায় ব্যায়াম করতে যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১০০ সময় দেখুন
রোজায় ব্যায়াম করতে যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন


লাইফস্টাইল ডেস্ক

যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন রোজার সময় তাদের অনেকেরই প্রশ্ন থাকে, রোজায় কি ব্যায়াম করা যাবে? বিশেষত যেহেতু ব্যায়াম করলে অনেক ঘাম বেরোয় এবং পিপাসা বেড়ে যায় তাই অনেকেই আর রোজা রাখা অবস্থায় ব্যায়াম করেন না। তবে প্রচুর মানূষ আছেন যারা রোজা রেখেও দিনের একটা অংশ তুলে রাখেন শরীরচর্চার জন্যে। যেহেতু এই সময় খাবার দাবারের রুটিনে বেশ পরিবর্তন আসে একই সাথে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুরোপুরি স্বাস্থ্যকর খাওয়া সম্ভব হয়না তাই ওজন কমার বদলে বেড়ে যায় অনেকের।

রোজা থাকা অবস্থায় ব্যায়াম করা যাবে কি যাবেনা এটা অনেকটাই নির্ভর করে যিনি ব্যায়াম করবেন এবং রোজা রাখবেন তার শারিরীক সামর্থ্যের ওপর। অনেকেই আছেন রোজা রাখতেই তাদের দম বেরিয়ে যায়। সেক্ষেত্রে রোজা রেখে ব্যায়াম করাটা তাদের জন্যে কঠিন। তবে রোজার মাসেও শরীরকে সচল রাখতে অন্তত কিছু হালকা ব্যায়াম করা উচিত। সেক্ষেত্রে যারা মনে করছেন তাদের শরীরের পক্ষে রোজা রেখে ব্যায়াম করা সম্ভব না তারা ইফতারির পরে হালকা ব্যায়াম করে নিতে পারেন। এতে আপনার শরীর কর্মক্ষম থাকবে এবং রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। আবার ভরপেটে ব্যায়াম করাও কঠিন। তাই হালকা ইফতার করে ব্যায়াম করুন।

ওয়ার্কআউটের সময়টা কমিয়ে আনতে পারেন। আগে যদি দুই ঘন্টা ব্যায়াম করতেন এখন সেটা কমিয়ে এক ঘণ্টা কি আধ ঘন্টায়ও নিয়ে আসতে পারেন।

হালকা কার্ডিও করুন, যেমন সাইক্লিং বা হাঁটার মত হালকা ব্যায়াম গুলো বেছে নিন। সাথে থাকতে পারে কিছু তলপেটের ব্যায়াম এবং পুশ আপ! এসব শরীর চর্চায় আপনার স্ট্যামিনা বাড়বে, ক্যালরি পুড়বে, শরীর থেকে বিষাক্ত তরল বের হয়ে শরীরকে করে তুলবে হালকা আর প্রাণবন্ত।

ইফতার এবং সেহেরির মধ্যবর্তী সময়ে অনেক পানি খান। এছাড়া খান ডাবের পানিও। এতে আপনার শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটস বাড়বে যা হার্ট, নার্ভ এবং মাসল এর কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

অনেক কঠিন ব্যায়াম, ভারোত্তোলন এইসব এই রোজায় আপাতত তুলে রাখতে পারেন। ক্ষুধার্ত এবং তৃষ্ণার্ত শরীরের খুব ভারী ব্যায়াম লো ব্লাড প্রেশার, মাথা ঘোরানোসহ নানান সমস্যার তৈরি করতে পারে।

যদি দুর্বল বা অসুস্থ বোধ করেন তাহলে ব্যায়াম করবেন না। এমন কি হালকা ব্যায়াম থেকেও সেদিন অবসর নিন।

অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও তেল চর্বিযুক্ত খাবার খাবেন না। তাহলে এই যে এত কষ্টের ব্যায়াম, নিয়ম কানুন সব জলে যাবে।

রোজার মূল উদ্দেশ্য যেহেতু নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা, ব্যায়াম তাতে বাধা নয় বরং সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

সারাবাংলা/এসবিডিই





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom