রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শরীয়তপুরে জমকালো আয়োজনে ফাতেমা মেধা বৃত্তি ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি হিসেবে ৮ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব নেবেন খলিলুর শিল্প উন্নয়ন স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান হলেন শাকিলুর রহমান Mirzapur The Movie Box Office Collection: Pankaj Tripathi’s Film Earns Rs 24 Crore On Day 1 | Bollywood News No special ‘room’ for cricket: IOA draws line on BCCI’s Asian Games stay | Cricket News বিদ্যুৎমন্ত্রীর রোগমুক্তি কামনায় ঢাকাস্থ সিরাজগঞ্জ সমিতিতে দোয়া মাহফিল বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য ওয়ান আইডি কলাখালী ইউনিয়ন যুব স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের নতুন কমিটি, সভাপতি রানেল ও সাধারণ সম্পাদক কামাল পেঁয়াজ সংরক্ষণে বাকৃবির আইওটি প্রযুক্তি, ক্ষতি কমবে ১৫-১৬% টানা ৪০ দিন মসজিদে নামাজ আদায়: শিশুদের হাতে পুরস্কার হিসেবে সাইকেল তুলে দিল

লুটপাটে ‘এলপিজি’ সিন্ডিকেট-নীরব কেন সরকার ? বাংলাদেশ ন্যাপ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৮০ সময় দেখুন
লুটপাটে ‘এলপিজি’ সিন্ডিকেট-নীরব কেন সরকার ? বাংলাদেশ ন্যাপ

‘রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকটে চরম ভোগান্তিতে ভোক্তারা। এই সংকট দেখিয়ে এলপিজির সিন্ডিকেট ইচ্ছেমত জনগনের পকেট লুট করছে। প্রায় ৪দিন যাবত এলপিজি সিন্ডিকেট লুটপাট অব্যাহত রাখলেও এই বিষয়ে বর্তমান অর্ন্তবর্তীকালিন ড. ইউনূস সরকার চোখ কান বন্ধ করে রেখেছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে সরকারের ভিতরই আসলে সিন্ডিকেটের মূল পৃষ্ঠপোষক রয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ শীর্ষ নেতৃদ্বয়।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, ‘এলপিজি সিন্ডিকেট আকস্মিক ও অযৌক্তিকভাবে এলপিজির মূল্য সরকার নির্ধারিত মূল্যের চাইতে প্রায় দ্বীগুন মূল্যে বিক্রি করে জনগণের পকেট কেটে নিচ্ছে। অথচ সরকার কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন না করে নিরব দর্শকের ভুমিকা পালন করছে। সিন্ডিকেটের কারসাজিতে এলপিজির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সিন্ডিকেট লুটছে জনগণকে অথচ ভোক্তাদের দুর্ভোগ নিয়ে নীরব ড. ইউনূস সরকার ও তার প্রশাসন। মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং সিন্ডিকেট দমনের কোনও উদ্যোগই লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা। সরকারের এমন নজিরবিহীন ব্যর্থতা ক্ষমার অযোগ্য।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘দেশের লাখো পরিবারের রান্নাঘরের একমাত্র জ্বালানি এখন এলপিজি। শহর থেকে মফস্বল সবখানেই মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ এই জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। তাছাড়া পাইপলাইনের গ্যাস সংযোগ থাকলেও যথাসময়ে গ্যাস সংকট থাকায় সিলিন্ডার গ্যাসই এখন ভরসা। সেই প্রয়োজনীয় জ্বালানীর বাজারে যদি হঠাৎ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটানো হয়, তবে তা শুধু অনৈতিকই নয়, সরাসরি জনজীবনের ওপর আঘাত।’

তারা আরো বলেন, ‘এলপিজির সংকট হঠাৎ করেই সৃষ্টি হয়নি, বরং এটি দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও দুর্বল তদারকিরই ফসল। সরকার নিয়মিত মুল্য সমন্বয় করলেও সরবরাহ, মজুত ও খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে কার্যকর নজরদারি না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা জনগণের পকেট লুটের সুযোগ নিচ্ছে। শীত মৌসুমে এলপিজির চাহিদা বৃদ্ধি পাবে এটা কোন নতুন বিষয় নয়। অথচ এই বাস্তবতা জানা থাকা সত্তে¡ও বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মূল্য বৃদ্ধির পথ সুগম হয়েছে।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘সকলকেই মনে রাখা প্রয়োজন এলপিজি কোনো বিলাসী পণ্য নয়, এটি নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানি। দেশের লাখো পরিবারের রান্নার একমাত্র ভরসা। সেই জ্বালানির মূল্য যদি এভাবে হঠাৎ অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পায়, কিংবা সংকট তৈরি হয় তা হলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বৃদ্ধি পাবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানীকে পুঁজি করে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়, হতে পারে না।’

তারা সরকারকে দ্রুত জরুরীভাবে সিন্ডিকেট ভাঙার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যারা এই কৃত্রিম সংকট তৈরী করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে এলপিজি মজুত ও সরবরাহের তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে, যাতে গুজব ও কারসাজির সুযোগ কমে আসে। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ভোক্তা অধিকার সংস্থার যৌথ অভিযান আরও জোরদার করতে হবে। সরকারের ঘোষিত মূল্য কার্যকর করতে হলে কাগুজে সিদ্ধান্তে সীমাবদ্ধ না থেকে মাঠপর্যায়ে কঠোর নজরদারি, স্বচ্ছ সরবরাহ ব্যবস্থাপনা এবং জবাবদিহিমূলক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।’

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর