বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংস্কৃতি চর্চায় তরুণদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের ‘আমারে ওরা বাচতে দিলা না’, মায়ের কাছে শেষ বার্তা চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৭.৮ শতাংশ বেড়েছে এখন পর্যন্ত নিহত ৩২, মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়ানোর আশঙ্কা Scotland vs Brazil Highlights, FT, 0-3: Vini Jr brace fires Brazil top of group and into knockout rounds দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে সিএমপি কমিশনার মহোদয় এর বৃক্ষরোপণ অভিযান ছতুরার নূর: রূহানিয়তের এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার সরকার অনুমোদন ছাড়া মাছের খাদ্য উৎপাদন, কর্ণফুলীতে জরিমানা জবি ছাত্রদল আহ্বায়ককে মারধর ও চিকিৎসক লাঞ্ছনার পালটাপালটি অভিযোগ কালিয়াকোরে বিশেষ অভিযানে অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়

ঈদে কেন বন্ধ থাকে রাবির আবাসিক হল, যা বলছে প্রশাসন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
  • ১৫৭ সময় দেখুন
ঈদে কেন বন্ধ থাকে রাবির আবাসিক হল, যা বলছে প্রশাসন


রাবি: ঈদুল আযহাসহ দীর্ঘ ছুটিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের দাবি, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, এতে তাদের পড়াশোনার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাধ্যক্ষ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ২৪ মে দুপুর ১২টা থেকে ৪ জুন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭টি আবাসিক হল বন্ধ থাকবে। তবে বিশেষ প্রয়োজনে শিক্ষার্থীরা প্রাধ্যক্ষ বরাবর আবেদন করে হলে অবস্থান করতে পারবেন।

ছুটির সময় হল বন্ধ থাকায় অ্যাকাডেমিক ও চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিঘ্ন ঘটে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের একটি অংশের। তাদের দাবি, ছুটির সময় হলে অবস্থান করতে পারলে লাইব্রেরি ব্যবহার, সহপাঠীদের সঙ্গে পড়াশোনা এবং নিরিবিলি পরিবেশ পাওয়া যায়।

মাস্টার্সের শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন বলেন, ‘আমাদের অনেকের সামনেই ব্যাংক ও বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা আছে। বাসায় গেলে পড়ার পরিবেশ থাকে না। হলে থাকলে লাইব্রেরি, বন্ধুদের সহযোগিতা ও নিরিবিলি পরিবেশ পাওয়া যায়। তাই প্রস্তুতির প্রয়োজনে আমাদের মতো কিছু শিক্ষার্থীর হলে থাকাটা জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘কয়েক বছর থেকে হল বন্ধের নিয়ম চালু হয়েছে। আগে তো এমন ছিল না। হলে থাকতে গেলে আমাদের আবেদন করে অনুমতিসাপেক্ষে থাকতে হবে কেন? এটা তো এক প্রকার পড়ালেখায় অসহযোগিতা।’

আরেক শিক্ষার্থী আদিত্য বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় শুধু ক্লাস করার জায়গা নয়, এটা আমাদের আবাসও। ছুটিতে সবাই বাসায় যেতে পারে না, যাওয়ার সুযোগও থাকে না। অনেকের চাকরির পরীক্ষা ও অ্যাকাডেমিক পরীক্ষা আছে। হল থেকে বাসায় গেলে পড়ার ধারাবাহিকতা ঠিক থাকে না। তাই এভাবে দীর্ঘদিন ধরে হল বন্ধ রাখলে আমাদের মতো কিছু শিক্ষার্থীদের জন্য বৈরি পরিবেশ সৃষ্টি হয়। প্রশাসনের এ বিষয়ে ভাবা উচিত।’

তবে হল বন্ধের সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. শাহ হুসাইন আহমেদ মাহদী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো আগেও বন্ধ থাকত। মাঝে কিছু বছর দু-একটি ঈদে হয়তো খোলা ছিল। ঈদের ছুটিতে অনেক হলে মাত্র দু-তিনজন শিক্ষার্থী অবস্থান করে, যা তাদের জন্য নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করে। এজন্য আবেদনপত্রের মাধ্যমে থাকতে বলা হয়েছে, যাতে কারা অবস্থান করছে সে বিষয়ে আমরা অবগত থাকতে পারি।’

তিনি আরও জানান, এরইমধ্যে প্রায় ৩০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী হলে থাকার জন্য আবেদন করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমীরুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি অবগত নই। সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমার কোনো মতামত নেওয়া হয়নি। যারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আশা করি ভালো ভেবেই নিয়েছেন। আমি তাদের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাই।’

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বলেন, ‘ছুটির সময় পুরো ক্যাম্পাস ফাঁকা থাকে। তাই নিরাপত্তাজনিত কারণে হল বন্ধ রাখতে হয়। তবে যারা থাকতে চায়, তাদের আবেদন করতে বলা হয়েছে যাতে আমরা জানতে পারি, কারা অবস্থান করছে। পাশাপাশি ঈদের দিন হলে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাবারের ব্যবস্থাও করা হবে। আবেদন তালিকা থাকলে সেটি সমন্বয় করাও সহজ হয়।’





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom