বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ডাকাতির প্রস্তুুত কালে পাঁচ ডাকাত আটক কালিয়াকৈরে ছিনতাই হওয়া প্রাইভেটকার উদ্ধার, সংঘবদ্ধ চক্রের ৩ জন সদস্য গ্রেপ্তার বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া ম্যাচকে ঘিরে সিএমপিতে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত সাজেকে পরিবেশ রক্ষা কমিটির জনসচেতন মূলক মাইকিং ৮১ দিনে হাম ও হামের উপসর্গে ৬০১ শিশুর মৃত্যু ড. খলিলুর রহমানকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উপাচার্যের বৈঠক কালিয়াকৈর চারটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নির্মাণ কাজের ভিত্তি স্থাপন উদ্বোধন করেন মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ মজিবুর রহমান বাঘাইছড়ি পৌরসভার উদ্যোগে মশক নিধন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন অতিরিক্ত তীব্র তাপমাত্রা বৃদ্ধি হওয়ায় সাধারণ জনজীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ

চুরির অভিযোগে শিশুকে সরকারি অফিস রুমে বেঁধে রেখে নির্যাতন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ৫ মে, ২০২১
  • ৩৪৮ সময় দেখুন
চুরির অভিযোগে শিশুকে সরকারি অফিস রুমে বেঁধে রেখে নির্যাতন


মাদারীপুর প্রতিনিধি:: মাদারীপুর পৌর শহরের আঞ্চলিক মহাসড়কের পোষ্টঅফিস সংলগ্ন সড়ক ও জনপদের পুরাতন ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে আজাদ (১৩) নামে এক কিশোরকে চুরির অভিযোগে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনকারীদের একজন সড়ক ও জনপদের গাড়িচালক অন্যজন পুলিশ সদস্য। মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার আজাদ মোস্তফাপুর ইউনিয়নের চাপাতলি গ্রামের কামরুল সরদারের ছেলে।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে মাদারীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের ড্রাইভার রফিক ও নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন্স এর পুলিশ সদস্য মামুন মিলে সোমবার রাতে মোস্তফাপুর গিয়ে শিশু আজাদ কে চুরির অভিযোগে এনে মারধর করে মাদারীপুর রকেট বিড়ি এলাকায় আজাদের মায়ের কাছে নিয়ে আসে। আজাদের মা রকেট বিড়ি এলাকায় সুজন হাওলাদারের একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে। পরে মঙ্গলবার সকালে আবার আজাদকে ধরে পোষ্টঅফিস মোড়ে সড়ক ও জনপদের পুরানো ভবনের একটা পরিত্যক্ত রুমে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করে। কিশোর চিৎকার করলে তার মুখে টুকরো কাপড় ভরে নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের ফলে শিশুটির হাতের নখ উঠে যায়। এছাড়াও তার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আশপাশের লোকজন জানালা দিয়ে দেখে শিশুর পরিবারকে খবর দিলে তার মা এসে তাকে উদ্ধার করে।

শিশু আজাদ অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি চুরি করিনি। গতকাল রাতে আমাকে মোস্তফাপুর বসে অনেক পিটিয়েছে, আমার হাতের নখ উপড়ে ফেলেছে। আজ আবার আমাকে ধরে এনে ওই পুলিশ ও ড্রাইভার রফিক রুমের মধ্যে আটকে রেখে পিটিয়েছে। আমার হাত বেঁধে ও মুখের মধ্যে কাপড় ঢুকিয়েছে যেন আমি চিৎকার করতে না পারি। এই রফিক কিছুদিন আগে আমার একটা অটোভ্যান আটকে রেখেছে। ভ্যানটি আমি আরেকজনের কাছ থেকে ভাড়া নিয়েছিলাম। বলেছিল ভ্যানটি ফেরত দিবে।কিন্তু ভ্যান না দিয়ে আমাকে চুরির অপবাদে মারধর করে’।

আজাদের মা বলেন, ‘আমি ভিক্ষা করে খাই। আমি বিচার চাই না। চাইলে আমাদের উপর ওরা আবার হামলা করবে’।

পুলিশ সদস্য মামুন বলেল, ‘আমি এই ঘটনার সাথে জড়িত না’।

ড্রাইভার রফিক বলেন, ‘আজাদ আমার বাসায় চুরি করছে’।তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেননি কেন? এই প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি অসুস্থ আছি কাল কথা বলবো’।

এই ঘটনায় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) কামরুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘আমার কাছে এমন কোন অভিযোগ আসেনি। আসলে ব্যবস্থা নেয়া হবে’।

Print Friendly, PDF & Email



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom