শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘Can’t believe it’: Ex-England captain stunned by Vaibhav Sooryavanshi snub | Cricket News মসজিদে চেয়ার-টেবিল বসিয়ে জামায়াতের সভা Khushbu Sundar Gets Emotional As Daughter Avantika Marries Shravan Sreenivasan: ‘Eyes Are Still Moist’ | Tamil Cinema News ১০৪ দিনে হাম ও হামের উপসর্গে ৭০২ শিশুর মৃত্যু ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫ Ecuador vs Germany FIFA World Cup 2026 Match highlights: Ecuador 2-1 Germany; Resilient Ecuador stun sluggish Germany to close in on Round of 32 একই পরিবারের ৪ জনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গোলাম পরওয়ারের শোক সিএমপির কোতোয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাইকৃত ১৫৭টি মোবাইল ফোন, ০৫টি ল্যাপটপ, নগদ টাকা, আইএমইআই (IMEI) পরিবর্তনের মেশিন ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধারসহ সংঘবদ্ধ চক্রের ০৫ সদস্য গ্রেফতার Samantha Ruth Prabhu Takes A Dig At Sobhita Dhulipala?; Ashok Pathak Recalls Meeting PM Modi | Bollywood News এবার আসছে মেটার ‘AI পেনডেন্ট’!

ছয় বছর পর রাবিতে ১৫৪ শিক্ষক নিয়োগ, প্রশ্ন উঠছে নিরপেক্ষতা নিয়ে

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪১২ সময় দেখুন
ছয় বছর পর রাবিতে ১৫৪ শিক্ষক নিয়োগ, প্রশ্ন উঠছে নিরপেক্ষতা নিয়ে


রাবি: দীর্ঘ ছয় বছরের স্থবিরতা ভেঙে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব-এর নেতৃত্বে ৩৪টি বিভাগে ১৫৪ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকট দূর করার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মহলে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

অভিযোগ উঠেছে যে, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের অনুসারীদের প্রাধান্য দিয়ে এই নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। নিয়োগ চলাকালীন স্বজনপ্রীতিসহ আরো কিছু অভিযোগ ওঠে। সেসময় নিয়োগ বাতিল চেয়ে বিক্ষোভ, সংবাদ সম্মেলন ও অনশনের ঘটনাও ঘটে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সভাপতিরা এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। বিভাগীয় প্রধানদের মতে, নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং মেধার ভিত্তিতেই যোগ্যতম প্রার্থীদের নির্বাচন করা হয়েছে। অ্যাকাডেমিক মান বজায় রাখতে কোনো প্রকার আপস করা হয়নি বলেও তারা দাবি করেন।

এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা শিথিল ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিজের মেয়ে ও জামাতাকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২০ সালের ১০ ও ১৩ ডিসেম্বর পৃথক ১২টি নোটিশের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে সবধরনের নিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এরপর চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সমুন্নত রাখার স্বার্থে ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর জারি করা নিয়োগ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান ও নীতিমালা অনুসরণ করে সুষ্ঠুভাবে সব নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। প্রথমবারের মতো চালু করা হয় লিখিত পরীক্ষা।

২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি:

বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ভাইভা বোর্ডের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ শিক্ষক নিয়োগ। এরপর একে একে ৩৪টি বিভাগে নিয়োগ দেওয়া হয় ১৫৪ জন শিক্ষককে। এর মধ্যে ইতিহাস বিভাগে ৭ জন, ইংরেজি বিভাগে ৬ জন, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে ৩ জন, উর্দু বিভাগে ৩ জন, আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগে ৬ জন, গণিত বিভাগে ৪ জন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ৭ জন, রসায়ন বিভাগে ৪ জন, ফলিত গণিত বিভাগে ৪ জন, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগে ৭ জন, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগে ৮ জন, সমাজকর্ম বিভাগে ৮ জন, ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে ৫ জন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ৪ জন।

এছাড়া, ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগে ৮ জন, ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগে ৩ জন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগে ২ জন, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিনিউকেশন ইন্জিনিয়ারিং বিভাগে ৪ জন, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইন্জিনিয়ারিং বিভাগে ৪ জন, ব্যাংকিং অ্যন্ড ইন্সুইরেন্স বিভাগে ৫ জন, অর্থনীতি বিভাগে ৩ জন, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে ৬ জন, নাট্যকলা বিভাগে ৩ জন, ইনস্টিটিউট অব ইংলিশ অ্যন্ড আদার ল্যাঙ্গুয়েজেজ বিভাগে ৩ জন, পপুলেশন সায়েন্স এন্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগে ৩ জন, মনোবিজ্ঞান বিভাগে ২ জন, আরবী বিভাগে ৮ জন, পরিসংখ্যান বিভাগে ৪ জন, ফাইন্যান্স বিভাগে ৪ জন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে ৪ জন, ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগে ১ জন, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ৫ জন, সংগীত বিভাগে ২ জন, চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগে ৪ জন।

নতুন শিক্ষক পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিনের শিক্ষক স্বল্পতার কারণে ক্লাস ও গবেষণায় যে ব্যাঘাত ঘটছিল, নতুন নিয়োগের ফলে তা দূর হবে বলে তারা আশাবাদী। শিক্ষার্থীদের মতে, নতুন শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতি আধুনিক ও মানসম্মত, যা তাদের অ্যাকাডেমিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। সব মিলিয়ে বিতর্ক থাকলেও, শিক্ষক নিয়োগের এই সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক শিক্ষা পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি ড. এ এন কে নোমান বলেন, ‘অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে অত্যন্ত উচ্চ মানের, অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। অত্যন্ত মেধাবীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এখানে অস্বচ্ছতার কোনো সুযোগ নেই। নিয়োগ প্রক্রিয়ার অস্বস্ততা নিয়ে নিয়োগের আগে বা পরে কেউ আমার কাছে অভিযোগ নিয়ে আসার সাহস পায়নি।’

ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এম আল বাকী বরকতুল্লাহ বলেন, ‘আমার বিভাগে যারা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে তারা প্রত্যেকে বিভাগে ফার্স্ট, সেকেন্ড অথবা থার্ড ছিল। নিয়োগ হয়েছে অত্যন্ত স্বচ্ছ। লিখিত পরীক্ষায় যারা ভালো করেছিল তাদের ভাইভা নিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের অস্বচ্ছতার সুযোগ নেই।’

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. এফ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি সভাপতি হওয়ার পর একজন এবং আমার আগের যিনি সভাপতি ছিলেন তার সময়ে ৬ জন নিয়োগ হয়েছিল। বর্তমান প্রশাসনের সময়ে মোট যে ৭ জন নতুন নিয়োগ হয়েছে তারা আমাদের বিভাগের সম্পদ। আমরা খুবই গর্বিত যে এই ভালো ছাত্রগুলোকে আমরা নিয়োগ দিতে পেরেছি৷ এই প্রশাসনের অধীনে সকল বিভাগে নিয়োগ হয়েছে দল-মত-নির্বিশেষে এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ স্বচ্ছ নিয়োগ হয়েছে।’

নিয়োগের লিখিত প্রশ্নের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘লিখিত পরীক্ষার কিছুক্ষণ আগেই এ প্রশ্ন তৈরি করা হয়৷ যারা এক্সপার্ট থাকেন তারা বোর্ড শুরু হওয়ার পর উপাচার্য স্যারের নির্দেশে প্রশ্ন তৈরি করেন। যে শিক্ষক খাতা দেখেন তিনিও জানেন না যে তিনি কার খাতা মূল্যায়ন করছেন। কারণ এখানে কোডিং- ডিকোডিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। তাই স্বচ্ছতা বিষয়ে কোনো প্রশ্ন নেই, এর ছেয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া আমার জানা নেই।’

অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. দিল-আরা হোসাইন বলেন, ‘দীর্ঘ ১২/১৩ বছর পর আমার বিভাগে নিয়োগ হয়েছে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যারা এ বিভাগে শিক্ষক হয়েছে তারা প্রত্যেকেই যোগ্য। তারা প্রত্যেকেই ছাত্র হিসেবেও অত্যন্ত ভালো ছিল এবং তাদের নিয়োগে আমাদের শিক্ষার্থী এবং আমরা সবাই সন্তুষ্ট। তারা ইতোমধ্যে ক্লাস নেওয়া শুরু করেছে এবং আমি শিক্ষার্থীদের থেকে ফিডব্যাক নিচ্ছি, সবাই ভালো প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে।’

নিয়োগের স্বচ্ছতার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘কিছু নীতিমালা পরিবর্তন করে এ নিয়োগটা দেওয়া হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যারা নিয়োগ পরীক্ষা দিচ্ছে তাদের যদি যেকোনো বিষয়ের ওপর সাধারণ জ্ঞান ভালো থাকে তাহলে সে বের হয়ে আসবে। লিখিত পরীক্ষা ও ভাইভায় যারা ভালো করবে তারাই নিয়োগ পাবে। কয়েকটি ধাপের মাধ্যমে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। সুতরাং এখানে স্বজনপ্রীতির কতটা সুযোগ থাকে আমার আসলে জানা নেই এবং এই নিয়োগ প্রক্রিয়াতে কোনো প্রকার অস্বচ্ছতার অভিযোগ আমি পাইনি।’

ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. লতিফুর রহমান সরকার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের বিভাগে এ যাবৎকালে যত নিয়োগ হয়েছে, এবারই সবচেয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হয়েছে। আমরা ৬ জনকে নিয়োগ দিয়েছি। এই ৬ জনের মধ্যেই সবাই অনার্স ও মাস্টার্সে ১ম স্থান অর্জনকারী। শুধু আমিই নয়, আমার বিভাগের সকল শিক্ষকই এই নিয়োগে অত্যন্ত সন্তুষ্ট। নিয়োগের প্রতিটি পর্যায়ে আমরা অনেক স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করেছি। আমাদের বিভাগে এত ভালো নিয়োগ অতীতে হয়নি।’

সার্বিক বিষয়ে সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ‘আমরা যখন দায়িত্ব গ্রহণ করলাম তখন দেখলাম যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক বিভাগে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক সংকট রয়েছে। প্রথমে আমরা দেখেছি নিয়োগ নীতিমালা কতটা উন্নতি করা যায়। কারণ এর আগে আমরা দেখেছি দূর্বল নিয়োগ নীতিমালার জন্য রাজনৈতিক বিবেচনায় অযোগ্যরা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেজন্য আমরা প্রথমে আমরা নিয়োগ নীতিমালা সংস্কার করেছি। এছাড়া কোনো বিভাগকে আমরা নিজে থেকে শিক্ষক নিয়োগ দিতে বলিনি তারা তাদের সংকটের কথা আমাদের জানিয়েছে তারপর আমরা নতুন নীতিমালা অনুযায়ী নিয়োগ দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘নিয়োগ দিতে যেয়ে আমরা দেখলাম যে বেশিরভাগ বিভাগে ১০০ জনের উপরে প্রার্থী। এমন অবস্থায় সবার মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া অসম্ভব ব্যাপার। তখন আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিলাম লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার। লিখিত পরীক্ষা নেওয়ারও খুব পরিষ্কার পদ্ধতি ছিলো। প্রশ্ন মূলত করত সাবজেক্ট এক্সপার্টরা যারা বোর্ডে এসে প্রশ্ন করতো। তাদেরকে তখন বলে দেওয়া হতো কে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করবেন। এখানে আগে থেকে প্রশ্ন বানিয়ে আনার কোনো সুযোগ ছিলো না। এবং যারা প্রশ্ন করতো তারাই খাতা দেখতো। প্রত্যকের খাতা কোডিং ডিকোডিং সিস্টেম ছিলো। যারা খাতা দেখতো তাদের বোঝার কোনো উপায় ছিলো না যে কোন খাতাটা কোন প্রার্থীর।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের অনেক বিভাগে ৩-৪ জন শিক্ষক নিয়ে ৫টা ব্যাচের ক্লাস চলেছে। যা আসলে কোনোভাবেই চলা সম্ভব না। এটা একপ্রকার অচলাবস্থা। তো সে জায়গাতে আমরা বিভিন্ন বিভাগে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষক নিয়োগ দিতে পেরেছি। অচলাবস্থা কিছুটা কেটেছে অবশ্যই। লোকে যাই বলুক না কেনো প্রত্যকটা বোর্ডে আমি ছিলাম। কোনো বোর্ডে রাজনৈতিক বিবেচনায় একজন প্রার্থীকেও আমি নিয়োগ দেইনি। এনসিপি, বিএনপি, জামায়াতের শীর্ষ পর্যায় থেকে আমার কাছে সুপারিশ করা হয়েছে কিন্তু আমি কারোর কথাই আমলে নেয়নি। যারা যোগ্য তারা নিয়োগ পেয়েছে।’

সারাবাংলা/এনএমই/ এএ





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom