মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

পরিব্রাজক সেই হাতিপাল চীনে আগ্রহের কেন্দ্রে

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ৯ জুন, ২০২১
  • ২৯০ সময় দেখুন
পরিব্রাজক সেই হাতিপাল চীনে আগ্রহের কেন্দ্রে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গত বছর একটি সংরক্ষিত বন থেকে মহাযাত্রায় বেরিয়ে পড়া হাতির দলটি এখন চীনে আগ্রহের কেন্দ্রে। চীনের গ্রাম কিংবা শহর, বন কিংবা লোকালয়ে অবাধে ঘুরে বেড়ানো এই হাতিদলের পাড়ি দেওয়া হয়ে গেছে ৫০০ কিলোমিটারের বেশি পথ। তবে ঠিক কী কারণে তারা এই দেশ ভ্রমণে বের হলো— তা এখনও অজানাই রয়ে গেছে।

প্রায় ১৫ মাস আগে এই হাতিপালের মহাযাত্রার শুভ আরম্ভ। এ দলে রয়েছে ১৫টি বন্য হাতি। দলটিতে পূর্ণ বয়স্ক হাতি ছাড়াও আছে ৩টি বাচ্চা হাতি। অক্লান্ত ছুটে চলা হাতিপাল কবে থামবে সেটাই ছিল এতদিনের প্রশ্ন। অবশেষে ৮ জুন যাত্রা বিরতি দেয় তারা। এদিন জিয়াং নামক অঞ্চলের একটি গ্রামের কাছে এদের বিশ্রাম নিতে দেখা যায়।

ইতিমধ্যে চীনে রাজনীতি, অর্থনীতি, বিদেশনীতি ইত্যাদি ছাড়িয়ে আগ্রহের কেন্দ্রে অবস্থান করছে এই হাতিপাল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে রেডিও, টেলিভিশন, পত্রিকা— সবখানেই চলছে হাতিচর্চা।

পরিব্রাজক সেই হাতিপাল চীনে আগ্রহের কেন্দ্রে

হাতিগুলোকে দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করছেন গবেষক, সাংবাদিক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। কেউ বা হাতির গতিবিধির উপর গভীর নজর রেখে প্রাণী সম্পর্কে গভীর তত্ত্ব নিয়ে ভাবছেন। আবার কেউ হাতিদলের সর্বশেষ তথ্য জানিয়ে দিচ্ছেন পাঠক বা দর্শকশ্রোতাদের। এছাড়া হাতিদের নিয়ে লাইভ স্ট্রিমিং, ব্লগিং, সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট, ভিডিও কন্টেন্ট ইত্যাদির ছড়াছড়ি তো রয়েছেই।

পরিব্রাজক সেই হাতিপাল চীনে আগ্রহের কেন্দ্রে

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবর থেকে জানা গেছে, অন্তত এক ডজন ড্রোন সদা লক্ষ্য রাখছে ওই হাতিপালের গতিবিধির উপর। হাতিপালের আশেপাশে ২৪ ঘণ্টা উড়ছে এসব ড্রোন। এছাড়া হাতিগুলো যেখানেই যাচ্ছে তাদের সঙ্গ দিচ্ছে পুলিশ।

পরিব্রাজক সেই হাতিপাল চীনে আগ্রহের কেন্দ্রে

তবে শুধু হাতির উপর নজর রেখেই ক্ষান্ত হচ্ছেন না অনেকেই।  হাতিপাল যেখানেই যাচ্ছেন তাদের কাছে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে স্থানীয়রা। স্থানীয় প্রশাসনও ঘটা করে খাবারের বন্দোবস্ত করছে।

যেমন চীনের কুনমিং প্রদেশ কর্তৃপক্ষ এই হাতিপালের জন্য ১০টন ভুট্টা, কলা ও অন্যান্য ফলফলাদির ব্যবস্থা করেছে। হাতিপালের আশেপাশে ভিড় থাকলেও সরকারি নির্দেশ রয়েছে— সবাই যেন দূরে থাকেন। কেননা তারা হাঁটছে তাদের মতো—সেই পথের কাঁটা হওয়া মোটেও ভালো নয়— এমনটাই মনে করছে চীনের মানুষ।

সারাবাংলা/আইই





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom