শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন

সিলেটে পাথর লুটের ঘটনায় মামলা: আসামি ১৫০০, আটক ৫ – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬১ সময় দেখুন


কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: সিলেটের ভোলাগঞ্জ থেকে সাদাপাথর লুটের ঘটনায় দেড় হাজার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ারুল হাবীব। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের পর এ পর্যন্ত পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজায়ের আল মাহমুদ আদনান।

তিনি জানান, মামলায় এক থেকে দেড় হাজার জনকে অজ্ঞাত আসামি দেখানো হয়েছে। এ পর্যন্ত সন্দেহভাজন পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, কিছু দুষ্কৃতকারী গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে পরবর্তী সময়ে গেজেটভুক্ত পাথর কোয়ারি থেকে অবৈধ ও অননুমোদিতভাবে কোটি কোটি টাকার পাথর লুটপাট করেছে মর্মে বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। যারা এ ঘটনায় জড়িত রয়েছেন, তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

এজাহারে আরও বলা হয়, সরকারি গেজেটভুক্ত কোয়ারি থেকে এ ধরনের লুট বা চুরি খনি ও খনিজ সম্পদ (নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন) আইন, ১৯৯২-এর ধারা ৪(২)(ঞ) এবং খনি ও খনিজ সম্পদ বিধিমালা, ২০১২-এর বিধি ৯৩(১)-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এছাড়া দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৩৭৯ ও ৪৩১ ধারার অপরাধও সংঘটিত হয়েছে।

পাথর লুটে জড়িতদের তদন্তের মাধ্যমে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার কোম্পানীগঞ্জ পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলমগীর আলমকে আটক করে পুলিশ। পরে ছাতক নৌ পুলিশের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গত বছরের ৫ আগস্টের পর সিলেটের দুই পর্যটনকেন্দ্র কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথর ও গোয়াইনঘাটের জাফলং থেকে লুট হয়ে যায় কয়েক শত কোটি টাকার পাথর। সর্বশেষ ১৫ দিনে সাদা পাথরের মাটি খুঁড়ে নজিরবিহীন পাথর লুটপাটের পর সক্রিয় হয় প্রশাসন।

সারাদেশে আলোচিত লুটপাটের এ ঘটনায় হাইকোর্ট পাথর উদ্ধার করে যথাস্থানে প্রতিস্থাপন ও লুটেরাদের তালিকা আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেন।

এরপর সিলেটসহ সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযানে যৌথ বাহিনী। গত তিনদিনে সিলেট, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে লুট হওয়া পাথরের মধ্যে মোট ১ লাখ ৯ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও লুট হওয়া মোট পাথরের তুলনায় তা অতি সামান্যই। তবে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. শের মাহবুব মুরাদ।

উদ্ধার হওয়া পাথর আবারও সাদাপাথর এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom