আবদুল্লাহ আল মামুন, কানাডা থেকে: [২] ৫২ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে ব্রামপটন সিটি হলে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ব্রামপটন বাংলাদেশী কমিউনিটি সার্ভিস (বিবিসিএস)। সার্বিক সহযোগিতায় ছিল সিটি অফ ব্রামপটন ।
[৩] শীতের কনকনে ঠাণ্ডা আর বৃষ্টি উপেক্ষা করে অনুষ্ঠানে আসেন ব্রামপটন ও আশেপাশের শহরের প্রায় দুইশতাধিক বাংলাদেশী।
[৪] বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সিটি অফ ব্রামপটনের মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি মেয়র প্যাট ফরটিনি, কাউন্সিলর গুরপ্রিত ডিলন।
[৫] আরো অংশগ্রহণ করেন কানাডা সরকারের মন্ত্রী এবং লিবারেল পার্টির এম.পি কমল খেরা, এম.পি সোনিয়া সিধু, এম.পি রুবী সোহাতা এবং ওন্টারিও পার্লামেন্ট এর বিরোধীদলীয় ডেপুটি লিডার এম.পি.পি সারা সিং।
[৬] মেয়র ব্রাউন উচ্ছসিত ভাবে তার শহরে বাংলাদেশীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবদানের কথা উল্লেখ করেন। বাংলাদেশী খাবার এবং সংস্কৃতির প্রশংসা করে বলেন, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও তিনি ও তার সিটি সবসময় বাংলাদেশীদের পাশে থাকতে গর্ববোধ করবেন।
[৭] কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী কমল খেরা বাংলাদেশর নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বিশেষ ভাবে দেশত্যাগে বাধ্য ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের সরকারের প্রশংসা করেন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম বাণিজ্যিক এবং উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে চিহ্নিত করে তার সরকার সবসময় প্রাধান্য দিয়ে আসছে।
[৮] বিবিসিএস-এর পক্ষ থেকে সকল অতিথিকে বাংলাদেশের পতাকার ডিজাইন করা স্কার্ফ উপহার দেওয়া হয়।
[৯]কানাডার অন্টারিও প্রদেশের গ্রেটার টরন্টো এলাকার ব্রামপটন শহরে প্রচুরসংখ্যক বাংলাদেশীর বসবাস। প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংগঠন ব্রামপটন বাংলাদেশী কমিউনিটি সার্ভিস (বিবিসিএস) দীর্ঘ দিন ধরেই এশহরে বাংলাদেশী সংস্কৃতি প্রসারের পাশাপাশি কানাডীয়ান মূলধারার সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে বাংলাদেশীদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে । সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব