সালেহ্ বিপ্লব: [২] কনসাল জেনারেল এ এফ এম আমিনুল ইসলাম কনস্যুলেটের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।
[৩] অনুষ্ঠানসূচীর মধ্যে ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের উপর তথ্যচিত্র প্রদর্শন।
[৪] জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য এবং দেশ ও জনগণের উন্নয়ন সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
[৫] অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপ্রতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার আলমের বাণী পাঠ করা হয়।
[৬] কনসাল জেনারেল এ এফ এম আমিনুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সুখী সম্মৃদ্ধ দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতেন এবং তিনি বাংলাদেশকে ‘স্বল্পোন্নত’ দেশে উন্নীত করেন। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে মাতৃভূমিকে ‘উন্নয়নশীল’ দেশের কাতারে নিয়ে গেছেন৷
[৭] কনস্যুলেটের প্রথম সচিব মো. বজলুর রশীদ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।