শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৪ অপরাহ্ন

২০২৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দিয়েছিল ‘ডিপ স্টেট’: আসিফ মাহমুদ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১২৫ সময় দেখুন
২০২৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দিয়েছিল ‘ডিপ স্টেট’: আসিফ মাহমুদ



বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তৃতা করছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ছবি: সংগৃহীত

‎ঢাকা: ‎জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দাবি করেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিকেই রাষ্ট্রের নেপথ্য ক্ষমতাধর কিছু পক্ষ বা ‘ডিপ স্টেট’ তাদের ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রস্তাব দিয়েছিল।

‎বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর এনসিপি কার্যালয়ে স্বাধীনতা দিবসের এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

আসিফ মাহমুদ জানান, তৎকালীন ক্ষমতাচ্যুত সরকারের মেয়াদ অনুযায়ী ২০২৯ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার প্রস্তাব দিয়ে ওই প্রভাবশালী সংস্থাগুলো তাদের সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছিল।

‎তবে এই ক্ষমতার পেছনে কিছু গোপন শর্ত ও স্বার্থ জড়িয়ে ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। আসিফ মাহমুদের দাবি করেছেন, ডিপ স্টেট একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক রোডম্যাপ তৈরি করে এনেছিল, যার মূল লক্ষ্য ছিল আইনি মারপ্যাঁচে ফেলে বিরোধী পক্ষকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখা। বিশেষ করে বিএনপির নেতাদের আদালতের মাধ্যমে সাজা দীর্ঘায়িত করা এবং দলটির শীর্ষ নেতা তারেক রহমানের সাজা বহাল রেখে তাকে নির্বাচনের অযোগ্য করে রাখার একটি ছক তারা কষেছিল। কীভাবে দর-কষাকষি ও সমঝোতার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকা যায়, সেই কৌশল তারা সাজিয়ে দিলেও অন্তর্বর্তী সরকার তাতে সায় দেয়নি।

‎আসিফ মাহমুদ বলেন, তারা কেবল একটি গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন। নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে যেন কোনো প্রশ্ন না ওঠে, সেজন্যই তারা নিজ উদ্যোগে সরকার থেকে পদত্যাগ করেন। অথচ বর্তমান সরকারে থাকা দলই একসময় সমান সুযোগের অজুহাত তুলে তাদের পদত্যাগের দাবি তুলেছিল। এখন দেখা যাচ্ছে, সেই বিগত আমলেরই দুজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে বর্তমান সরকারে মন্ত্রী পদমর্যাদায় বসানো হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধা পেতেই সরকার এই ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করেছে এবং এর মাধ্যমে নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সমান সুযোগের পরিবেশ নষ্ট করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

‎তিনি আরও উল্লেখ করেন, তারা যদি সেদিন ওই প্রভাবশালী সংস্থাগুলোর আপসের প্রস্তাবে রাজি হতেন, তবে খুব সহজেই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার দোহাই দিয়ে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা যেত। তখন সবাই বলত যে সংবিধান অনুসারেই ২০২৯ সালে পরবর্তী নির্বাচন হওয়া উচিত। কিন্তু তারা সেই অশুভ রাজনৈতিক আঁতাতের পথে হাঁটেননি।

আলোচনা সভায় এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার এবং জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলামসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর