বিশেষ সংবাদদাতা :
ত্রযোদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিরাজ করছে গণতান্ত্রিক পরিবেশ। এরই মাঝে সারা দেশে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের বিষয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে। সরকারও ধীরে ধীরে স্থানীয় নির্বাচনের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে কার্যক্রম শুরু করছে।
বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার ৭নং সরিকল ইউনিয়ন পরিষদের আগামী দিনের নেতৃত্ব নিয়ে ইউনিয়ন জুড়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে, চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। যোগ্য জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে যোগ্য নেতৃত্বকে বেছে নিতে প্রার্থীদের পাশাপাশি ভোটাররাও নানা হিসাব কসছেন। বিশেষ করে বিগত দিনে ফ্যাসীবাদ বিরোধী আন্দোলনে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে কার কি অবদান তাও ভাবছেন ভোটাররা।
গৌরনদী উপজেলার ৭নং সরিকল ইউনিয়ন পরিষদে রাজপথের লড়াকু সৈনিক এবং পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মিরনকে ঘিরেও চলছে নানা সমীকরণ। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার, আন্দোলন, সংগ্রাম ও জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার ত্যাগ এবং সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্কের কারণে ইউনিয়নবাসী তাকে আগামীতে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখার দাবি তুলছেন।
মোস্তাফিজুর রহমান মিরন গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের হোসনাবাদ গ্রামের ৮ নং ওয়ার্ডের মৃত মোঃ বেলায়েত হোসেন ( বেলায়েত মাস্টার) এর কনিষ্ঠ পুত্র রাজনীতিতে এক অনন্য নাম। তিনি শহীদ জিয়ার আদর্শে গড়া, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রদর্শিত পথে হাটা , বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার সৈনিক এক জনবান্ধব ও তরুণ রাজনীতিবিদ। সাবেক রাষ্ট্র নায়ক শহীদ জিয়ার স্বপ্ন বাস্তায়নে দেশ নায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৭ নং সরিকল ইউনিয়নকে একটি মাদকমুক্ত আধুনিক, সুখী সমৃদ্ধ, মডেল বা আদর্শ ইউনিয়ন গড়ে তুলতে ইউনিয়ন পরিষদ সেবাকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত পরিবেশে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে চান মোস্তাফিজুর রহমান মিরন।
তিনি ৭নং সরিকল ইউনিয়ন বিএনপির এক অন্যতম নেতা। তিনি গণতন্ত্র, দেশ ও দলের দুঃসময়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ব্যাপক ভূমিকা রেখে মিথ্যা মামলায় হয়রানিসহ নির্যাতনের শিকার হন। তবুও পিছ পা না হয়ে দলীয় শৃঙ্খলার প্রতি অবিচল থেকে তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন যে, পদের চেয়ে আদর্শই তার কাছে বড়। আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে তারেক রহমানই তার নেতা।
গৌরনদী উপজেলার সরিকলের হোসনাবাদ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে তাকে সবসময় পাশে পাওয়া যায়। এছাড়া অসংখ্য সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে তিনি মানবিক সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। সরিকল ইউনিয়নে বিএনপির দলীয় রাজনীতির ইতিহাসে তার অবদান অস্বীকার করা কঠিন। ছাত্রজীবন থেকে দীর্ঘ সময় ছাত্রদলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের দায়িত্বে থেকে দলকে সাংগঠনিক ভাবে এগিয়ে নিয়েছেন তিনি। বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে তার দলীয় কার্যক্রমে আতঙ্কিত হয়ে তাকে চরম দমন-পীড়ন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে। যে প্রতিহিংসায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও। জেল-জুলুম ও নির্যাতনের মুখেও তিনি আপসহীন থেকেছেন।
সরিকল ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে মিরন-এর মতো অভিজ্ঞ ও সৎ নেতার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের আড্ডা-সবখানেই এখন সচেতন ভোটারদের একই দাবি, ‘তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতাকেই ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবক হিসেবে দেখতে চাই।’ এলাকার বাসিন্দারা জানান, “তিনি কেবল একজন নেতাই নন, তিনি আমাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার। তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে পেলে সরিকল ইউনিয়ন একটি আধুনিক ও মানবিক এলাকা হিসেবে গড়ে উঠবে।
একাধিক সুত্র জানিয়েছে-মোস্তাফিজুর রহমান মিরন দীর্ঘদিন থেকে এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে বেশ আলোচনায় উঠে এসেছেন তিনি। ইউনিয়নের একজন স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ায় সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে, বন্যা-খরায় ইউনিয়নবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। যার ফলে এলাকার সাধারণ লোকজনও আগামীতে তাকে একজন প্রতিনিধি হিসেবে চাচ্ছেন।
মানুষের এই চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়ে তিনিও একজন সেবক হিসেবে জনগণের পাশে থাকার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ইতিমধ্যে স্থানীয়দের কাছে সৎ, পরিশ্রমী ও জনবান্ধব একজন যুবক হিসেবে সুপরিচিত লাভ করেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে মিরন বলেন, “এলাকার গন্যমান্য ও প্রবীণ মুরব্বি এবং সাধারণ জনগন, সচেতন ভোটাররা তাকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। মানুষের আগ্রহের প্রতি সম্মান জানাতে চান। মানুষের সমর্থন এবং মহান আল্রাহ রাব্বুল আলামিনের হুকুমে তিনি নির্বাচিত হতে পারলে, সরকারের বরাদ্দকৃত সকল সুযোগ-সুবিধা সুষম বণ্টনের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে সরিকল ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ইউনিয়নে পরিনত করতে চান।” এছাড়াও সবাইকে সাথে নিয়ে অবহেলিত ও পিছিয়ে থাকা এই সরিকল বাসীর কল্যাণে কাজ করবেন তিনি। জনগণের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা পেলে প্রতিনিধি নয়, একজন দায়িত্বশীল সেবক হিসেবে নিজেকে বিলিয়ে দিতে চান মিরন।
এদিকে তরুণ ও উদ্যমী প্রার্থী হিসেবে মোস্তাফিজুর রহমান মিরন নির্বাচিত হলে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করছেন সচেতন ভোটাররা।