সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন

সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নয়াপল্টন ছাড়লেন ফখরুল

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৯৯ সময় দেখুন
সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নয়াপল্টন ছাড়লেন ফখরুল


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: টানা সাড়ে ৩ ঘণ্টা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের গেটে বসে থাকার পর নয়াপল্টন ছাড়লেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (০৭ ডিসেম্বর) রাত ৮টায় নয়াপল্টন কার্যালয়ের বিপরিত দিকে আনন্দ পার্টি সেন্টারের সামনে রাখা নিজের গাড়িতে করে রওনা হন। ধারণা করা হচ্ছে গুলশানে দলীয় প্রধানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গেছেন তিনি।

টানা সাড়ে ৩ ঘণ্টা দলীয় কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ফুটপাতের উপর মাটিতে বসে থাকা অবস্থায় তার সঙ্গে ছিলেন ব্যক্তিগত সহকারী ইউনুস এবং বিএনপির নির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা।

এর আগে, পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের মধ্যেই বুধবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আসার পর ভেতরে ঢুকতে না পেরে সেখানে বসে পড়েন তিনি। বসার আগে কার্যালয়ের গেটের সামনে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বিভিন্ন জায়গায় ফোনে কথা বলতে দেখা যায় বিএনপির মহাসচিবকে।

এ সময় বিএনপির কার্যালয়ের সামনে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সমাবেশ বানচাল করার জন্য নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে পুলিশ নেতাকর্মীদের হামলা করেছে। কিন্তু এসব করে কোনো লাভ হবে না। ১০ ডিসেম্বর আমরা সমাবেশ করবই।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যে ঘটনা ঘটেছে, তা দুঃখজনক। এ ঘটনার দায় সরকারকে নিতে হবে। আমি আমার দলের নেতাকর্মীসহ সবাইকে ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানাচ্ছি।’

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি অবিলম্বে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে পুলশি প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় এর যে ঘটনা ঘটবে, দেশের যে পরিস্থিতি তৈরি হবে তার সকল দায়-দায়িত্ব এই সরকারকে নিতে হবে।’
বুধবার (০৭ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে তিনটার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপরই নয়াপল্টন থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

আজ সকাল থেকেই নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে দলটির নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। এক পর্যায়ে জমায়েত বড় হয়ে রাস্তার এক পাশ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়।

আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশ ঘিরে কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিএনপি পল্টনে দলের কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ করতে চায়। অন্যদিকে সরকার পল্টনে সমাবেশ করতে দিতে নারাজ। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে এ সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সেখানে সমাবেশ করতে চাইছে না বিএনপি।

সমাবেশ নিয়ে সর্বশেষ অবস্থা জানানোর জন্য বৃহস্পতিবার (০৮ ডিসেম্বর) গুলশানের হোটেল লেকশোরে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি।

সারাবাংলা/ এজেড





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom