শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন

আত্মসমর্পণ করে কারাগারে ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৫৬ সময় দেখুন
আত্মসমর্পণ করে কারাগারে ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা দ্রুত বিচার আইনের মামলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারীর জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঈনুল ইসলামের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন এই আসামি। তার পক্ষে জামিন শুনানি করেন মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়।

আসামি পক্ষের আইনজীবীরা শুনানিতে বলেন, আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী নির্দোষ, নিরাপরাধ। ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। বরং যে ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে সেই ধারার কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়নি। মামলা সম্পর্কে জ্ঞাত ছিলেন না। মামলার বিষয়ে জানার পর তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগ বলা হয়, পল্টন মডেল থানাধীন স্কাউট মার্কেটে তার পুরাতন গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ২ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিজের মাইক্রোবাসে করে তিনি তার প্রতিষ্ঠানে আসেন। মাইক্রোবাসটি মার্কেটের সামনে রাখা ছিল। পল্টন বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আসামিরাসহ বিএনপি, ছাত্রদল ও অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মীরা দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একটি মিছিল বের করে রাস্তায় চলাচলরত যানবাহন ও জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে গাড়ি ভাঙচুর শুরু করে।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, পুলিশ তাদের ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে বিভিন্ন দিক চলে যায়। মিছিলের একটি অংশে থাকা আসামিরা পরে কাজী মহিদুল ইসলামের গাড়িসহ ২/৩টি গাড়ি ভাঙচুর করে। সেখান থেকে অহি আহম্মেদ, আল-আমিন, শহিদুল ইসলাম নয়নকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ওই ঘটনায় ২০১৭ সালের ২ এপ্রিল কাজী মহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী তৎকালীন ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- ছাত্রদলের তৎকালীন সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন, সহ-সভাপতি সাদিউল কবির নিরব ও এজমল হোসেন পাইলট, যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ ও ইকবাল।

মামলাটি তদন্ত করে ১০ দিন পর ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন পল্টন মডেল থানার এস আই (নি.) শামীম আকতার। মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্য গ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে।

সারাবাংলা/এআই/এএম





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom