রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফোন নম্বর ছাড়াই হোয়াটসঅ্যাপ: আসছে ‘ইউজারনেম’ সুবিধা চুয়েটের নতুন উপাচার্যকে লাল কার্ড শিক্ষার্থীদের, দেয়ালে প্রতিবাদী গ্রাফিতি অপুষ্টির কারণে হামে বাড়ছে জটিলতা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Avengers: Endgame Returns With A Bang! Encore Release Opens At Rs 7 Crore | Hollywood News Ex-India captain Asunta Lakra leads protest against Hockey India officials | Hockey News শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে: রিজভী কালিয়াকৈরে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিরতা করার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও সমাবেশ জাতিসংঘ নিখুঁত নয়, তবে অপরিহার্য: ড. খলিলুর প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে সরকার: নাহিদ ইসলাম জাতিসংঘের প্রতিরোধমূলক সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের

আসামে অভিবাসী মুসলিমদের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মুখ্যমন্ত্রীর তাগিদ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ১১ জুন, ২০২১
  • ৩২৮ সময় দেখুন
আসামে অভিবাসী মুসলিমদের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মুখ্যমন্ত্রীর তাগিদ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের আসাম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা তার রাজ্যে অভিবাসী মুসলিমদের পরিবার পরিকল্পনার মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘অভিবাসীদের জনসংখ্যার বিস্ফোরণ যদি অব্যাহত থাকে তবে একদিন এমনকি কামাখ্যা মন্দিরের জমিও দখল হয়ে যাবে’। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার এক মাসের মাথায় এমন মন্তব্য করে ফের একবার মুসলিম অভিবাসী বিরোধী কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার গৌহাটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে হেমন্ত বলেন, ‘অভিবাসী মুসলমানরা যদি পারিবার পরিকল্পনার নিয়ম অনুসরণ করে এবং তাদের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে—তাহলে ভূমি দখলের মতো সামাজিক সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে। জনসংখ্যার বিস্ফোরণ যদি অব্যাহত থাকে তবে একদিন এমনকি কামাখ্যা মন্দিরের জমিও দখল হয়ে যাবে। আমার বাড়িও দখল হয়ে যেতে পারে’।

মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আসামে ভূমি দখল বিরোধী অভিযান শুরু করেছেন হেমন্ত শর্মা। ওই সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে একাধিক প্রশ্নের জবাবে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে গত বিধানসভা অধিবেশনে একটি জনসংখ্যা নীতিমালা কার্যকর করেছি। তবে জনসংখ্যার বোঝা কমাতে আমরা বিশেষত সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করতে চাই’।

এ সময় তিনি জনসংখ্যার বিস্ফোরণকে সামাজিক কুফল হিসেবে উল্লেখ করে এটিকে দারিদ্র্যতা ও অনাধিকার প্রবেশের চাবিকাঠি বলে চিহ্নিত করেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বৈষ্ণব মঠের অন্তর্গত বন, মন্দির এবং জমি আমরা দখল হতে দিতে পারি না। তবে আমি বুঝতে পারি— অধিক জনসংখ্যার চাপেই এমনটা হচ্ছে। অন্য অংশে যে চাপ পড়ছে সেটা আমি বুঝি। এত মানুষ কোথায় যাবে? অভিবাসী মুসলিমরা পরিবার পরিকল্পনার নীতি গ্রহণ করার মাধ্যমে যদি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে বেশ কয়েকটি সামাজিক সমস্যা সমাধান করা যাবে—তাদের প্রতি এটাই আমার আবেদন।

অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক ও রাজ্যের বিধায়ক আমিনুল ইসলাম মুখ্যমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য রাজনৈতিকভাবে অনুপ্রাণিত এবং এর লক্ষ্যবস্তু একটি মাত্র নির্দিষ্ট সম্প্রদায়’।

মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পাল্টা জবাবে তিনি বলেন, ‘রাজ্য সরকার যখন জনসংখ্যা নীতিমালা তৈরি করে, আমরা কখনই এর বিরোধিতা করিনি। তবে দুর্ভাগ্যজনক যে, মূল কারণ উপেক্ষা করে মুখ্যমন্ত্রী জনসংখ্যা বেশি হওয়ার জন্য অভিবাসী মুসলমানদের দায়ী করেছেন। জনসংখ্যা বেশি হওয়ার মূল কারণগুলো নিয়ে তিনি কোনো কাজ করছেন না। মূলত দারিদ্র্যতা ও নিরক্ষরতার কারণেই জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এসব দূর করতে মুখ্যমন্ত্রীর কোনো পরিকল্পনা নেই’।

সারাবাংলা/আইই





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর