বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন

রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ এনেছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ৪৮ সময় দেখুন
রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ এনেছে যুক্তরাষ্ট্র


কিউবা ও ফ্লোরিডার মধ্যবর্তী স্থানে ১৯৯৬ সালে দুইটি বিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিবিসি’র খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (২০ মে) এই মামলাটিকে জনসমক্ষে আনা হয়। মামলায় কাস্ত্রো এবং আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে তিনজন আমেরিকানসহ চারজনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

একইসঙ্গে কিউবান-আমেরিকান গ্রুপ ব্রাদার্স টু দ্য রেসকিউ এর মালিকানাধীন দুইটি বিমান গুলি করে ভূপাতিত করার অভিযোগও আনা হয়েছে।

রাউল কাস্ত্রো সেসময় দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ছিলেন। বিমান দুর্ঘটনার পর আন্তর্জাতিকভাবে তাকে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছিলো। এখন তার বয়স প্রায় ৯৫ বছর।

কিউবার কমিউনিস্ট শাসনের ওপর যুক্তরাষ্ট্র যখন ক্রমাগত চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছে, তখন দেশটির রাষ্ট্রপতি মিগেল দিয়াজ-কানেল এই অভিযোগগুলোকে ‘আইনি ভিত্তিহীন একটি রাজনৈতিক চাল’ বলে দাবি করেছেন।

দিয়াজ-কানেল অভিযোগ করেন, ‘কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ গঠনকে কিউবার বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসনের মতো বোকামিকে ন্যায়সংগত করার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।’

একইসঙ্গে, বিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তথ্য বিকৃত করার অভিযোগও করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘কিউবা তাদের নিজস্ব জলসীমায় বৈধ আত্মরক্ষার্থে এই পদক্ষেপ নিয়েছিল।’

মিয়ামির ফ্রিডম টাওয়ারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ ঘোষণা করেন, যুক্তরাষ্ট্র কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে বিমান ধ্বংসের অভিযোগ এবং আরমান্দো আলেহান্দ্রে জুনিয়র, কার্লোস আলবার্তো কস্তা, মারিও ম্যানুয়েল দে লা পেনিয়া ও পাবলো মোরালেসের মৃত্যুর ঘটনায় পৃথকভাবে চারটি খুনের অভিযোগও আনবে।

ব্ল্যাঞ্চে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাদের নাগরিকদের ভুলে যাননি এবং কখনো ভুলবেনও না।’

যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে এই অভিযোগগুলো প্রমাণ করতে হবে। যার মধ্যে কিছু অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

হত্যার প্রতিটি অভিযোগে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের আনা নতুন এই অভিযোগগুলো এমন এক সময় কিউবার কমিউনিস্ট নেতৃত্বের একজন প্রধান ব্যক্তিত্বকে নিশানা করেছে, যখন কিউবা তার একদলীয় শাসন ব্যবস্থায় বড় ধরনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার আনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র চাপের মুখোমুখি হচ্ছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এবং দেশটিতে তেল সরবরাহের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে।

এর ফলে সেখানে বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom