শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার আইআরজিসি প্রধানের দেড় মাসেই ভেঙে গেল নতুন কালভার্ট Record-breaker Kylian Mbappe becomes the first player ever to score eight goals in two different FIFA World Cups | Football News Phoebe Bridgers, Ricky Martin & Taylor Swift’s Posse: How Madison Square Garden Secretly Profiled VIPs, Gay Celebs | Hollywood News তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে ডেঙ্গু সচেতনতার সেমিনার নোবিপ্রবিতে কোষাধ্যক্ষ হওয়ার আলোচনায় আওয়ামীপন্থী শিক্ষক নেতা ড. রাকিবুল ইসলাম জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার ধারে কাছেও এখনো পৌঁছাইনি: মান্না ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯০ দৌলতপুরে ‘মধুবালা’ তরমুজ প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত নজিরবিহীন বৃষ্টিপাতেও সমন্বিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে চসিক: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

লড়াই শেষে ফের রকেট তৈরি করছে হামাস

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ৩১ মে, ২০২১
  • ২৭৯ সময় দেখুন
লড়াই শেষে ফের রকেট তৈরি করছে হামাস


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সর্বশেষ সংঘাতে ইসরাইলে ছুঁড়া প্রায় ৪ হাজার রকেটের শূন্যস্থান পূরণে কাজ শুরু করেছে ফিলিস্তিনের হামাস। সংগঠনটির নেতা ফাতনি হামাদের বরাতে এ খবর প্রকাশ করেছে ইরানের সংবাদমাধ্যম পার্সটুডে।

পার্সটুডের খবরে বলা হয়, হামাস নেতা ফাতনি হামাদ বলেন, ‘ইসরাইলের সর্বশেষ আগ্রাসন বন্ধ হওয়ার পর ফের রকেট উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করেছে হামাস’। উল্লেখ্য, ফাতনি হামিদ হামাসের রাজনৈতিক শাখার অন্যতম সদস্য।

এর আগে গত শুক্রবার (২৯ মে) গাজা উপত্যকায় নিজেদের অস্ত্রভাণ্ডারে থাকা সামরিক অস্ত্রের এক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল হামাস। ওই প্রদর্শনীতে মিসাইল ও ড্রোনের মতো অস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। এ প্রদর্শনীটি ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয়ের উদযাপন হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে বলেও দাবি করে হামাস।

এর আগে হামাস জানিয়েছিল, তাদের অস্ত্রভাণ্ডারে অন্তত ১৫ হাজার রকেট রয়েছে। এসব রকেটের সর্বোচ্চ ক্ষমতা আড়াইশ কিলোমিটার পর্যন্ত। এ পরিমাণ রকেট দিয়ে ইসরাইলের বিরুদ্ধে টানা ছয় মাস যুদ্ধ চালাতে পারবে বলেও দাবি করে সংগঠনটি।

হামাসকে রকেট তৈরি প্রযুক্তি ইরান সরবরাহ করে বলে বরাবরই অভিযোগ করে আসছে ইসরাইল।

প্রসঙ্গত, ৭ মে রমজানের শেষ শুক্রবার বিশ্ব কুদস দিবসে বিপুল পরিমাণ মুসল্লি আল-আকসা মসজিদে সমবেত হলে ইসরাইলি বাহিনী তাদের ওপর হামলা চালায়। মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল ছোড়ে। এর দুই দিন পর, পবিত্র শবে কদরেও আল-আকসা মসজিদে ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে মুসল্লিদের সংঘর্ষ হয়। এর প্রতিবাদে গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ শুরু হয়।

পূর্ব জেরুজালেমকে ঘিরে উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে ১০ মে গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরাইল। আল আকসা মসজিদেও অভিযান চালায় ইসরাইলি পুলিশ। এর জের ধরে রকেট হামলা চালায় হামাস, পাল্টা বিমান হামলা শুরু করে ইসরাইল। দুই পক্ষের অব্যাহত আক্রমণে গাজায় ৬৫ শিশুসহ ২৩২ ফিলিস্তিনির মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে হামাসের হামলায় কমপক্ষে ১২ জন ইসরাইলি নাগরিকের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়।

১১ দিন ধরে হামলা পাল্টা হামলা চলার পর ২০ মে দিবাগত রাত ২টা থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। মিশরের মধ্যস্থতায় ইসরাইল এবং ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই হওয়ার পর ফিলিস্তিনের সর্বত্র আনন্দ মিছিল হয়। ১১ দিনের যুদ্ধ বিজয় হয়েছে বলে ইসরাইল ও হামাস উভয় পক্ষই দাবি করে আসছে।

সারাবাংলা/আইই





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom