শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ন

শীতের মৌসুমে মেয়ের শশুর বাড়িতে শীতের পিঠা

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৭১ সময় দেখুন
শীতের মৌসুমে মেয়ের শশুর বাড়িতে শীতের  পিঠা

জাহেদুল ইসলাম, কুতুবদিয়া উপজেলা,কক্সবাজার।

ছয় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ, নানান ঐতিহ্য নিয়ে বেঁচে থাকা হাজারো বাঙ্গালীর স্বপ্ন, গ্রামের পাড়া -প্রতিবেশী -আত্মীয়- স্বজন সবি মিলেমিশে চমৎকার পরিবেশ লক্ষণীয়।সাধারণত গ্রামের মানুষ খুবি পরিশ্রমী তাঁরা মাঠে-ঘাঠে বাড়ির আঙ্গিনায় ফসল উৎপাদন করে নিজেদের পরিবারের ভবিষ্যৎ উৎপ্রাস করতে সারাদিন ব্যাস্ত সময় পার করে প্রতিনিয়ত।পারিবারিক ভরণ পোষণ এর পাশাপাশি কন্যা সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ উৎপ্রাস এর লক্ষ্যে বিন্দু বিন্দু অর্থ সঞ্চয় করে থাকেন, কন্যা প্রাপ্ত বয়স্ক হলেই পারিবারিক ভাবে চমৎকার আয়োজন এর মধ্যে শশুর বাড়ির লোকদের হাতে তোলে দিয়ে থাকেন। বিবাহ বন্ধনের যাত্রা কালে যৌতুকের গলার কাঁটার পাশাপাশি মেয়ের শশুর বাড়ি আবদার পুরণে নাভিশ্বাস হয়ে উঠে জন জীবন, বিভিন্ন মৌসুমে বিভিন্ন আবদার যেমন : ফলের মৌসুমে ফল, ঈদের মৌসুমে কাপড়, কুরবানির মৌসুমে ছাগল, শীতের মৌসুমে শীত পিঠার নামে —————-
চাউলের গুড়ি,গরুর মাংস, দেশীয় জাতের
মুরগ,ডিম,খেজুরের রস, নারিকেল, দুরুস – পোলাও সহ চিনি,গুড, আরো হরেক রকমের পিঠা সাথে ২০/৩০ জনকে দাওয়াত খাওয়ানোর নামে অপসংস্কৃতি কন্যার পিতার নাভিশ্বাসে ভারি হয়ে উঠে আকাশ বাতাস, তাতেও দেখা যায় কন্যার শশুর বাড়ির নানান পতিক্রিয়া। সেই অপ সংস্কৃতির আবদার পুরণে ব্যার্থ হলেই শুরু হয় কানাঘুষা, মানসিক নির্যাতনের চাপ,সরাসরি আঘাত করা,এমন কি তালাকের পর্যায়ে ও চলে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
তাই আমি আপনি সেই অপসংস্কৃতি রোধে সজাগ দৃষ্টি প্রধান করি তাহলে কন্যার পিতার আর্থিক, মানসিক চাপ লাগবে সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর