শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন

ওসমান হাদি স্মরণে গোবিপ্রবিতে গ্রাফিতি

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০১ সময় দেখুন
ওসমান হাদি স্মরণে গোবিপ্রবিতে গ্রাফিতি


গোবিপ্রবি: জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোর সাহসী কণ্ঠস্বর ও বিপ্লবী চেতনার প্রতীক শহিদ ওসমান হাদিকে স্মরণ করে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) আধিপত্যবাদবিরোধী শিক্ষার্থীদের আয়োজনে গ্রাফিতি কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা শহিদ ওসমান হাদি ভাইয়ের আদর্শ, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগকে স্মরণ করে বিভিন্ন দেয়ালে প্রতীকী গ্রাফিতি অঙ্কন করেন। গ্রাফিতিগুলোতে আধিপত্যবাদবিরোধী চেতনা, ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান এবং সততা, ইনসাফ ও শোষণমুক্ত সমাজের প্রত্যাশা তুলে ধরা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইনগেট, একাডেমিক ভবন সংলগ্ন দেয়াল, মুরাল কমপ্লেক্সে শহিদ শরীফ ওসমান বিন হাদির গ্রাফিতি অঙ্কন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা গ্রাফিতির পাশাপাশি বিভিন্ন স্লোগান লেখেন। স্লোগানগুলো হলো— ‘জান দেব কিন্তু জুলাই দেব না’, ‘দাসত্বই যে জমিনের নিশ্চল নিয়তি, লড়াই সেখানে সর্বোত্তম ইবাদত’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’।

কর্মসূচির বিষয়ে ফার্মেসী বিভাগের (২০১৮-১৯) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘ওসমান হাদি ভাই কালচারাল ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে যে বলিষ্ঠ কণ্ঠ দিয়েছিল সেই কণ্ঠকে দমানোর জন্য মূলত তাকে শহিদ করা হয়েছে। কিন্তু তার রেখে যাওয়া যে চেতনা, যে কাজকর্ম এবং তার রেখে যাওয়া যে স্মৃতি আমাদের মাঝে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে, তা আমরা বুকে ধারণ করব। আমরা চাই হাদি ভাই আমাদের মাঝে বেঁচে থাকুক এবং কালচারাল ফ্যাসিজম দূর হোক। এজন্যই আজ আমাদের এই গ্রাফিতি কর্মসূচির আয়োজন।’

ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী আজিজুর রহমান শান্ত বলেন, ‘শহিদ ওসমান হাদি কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা মতাদর্শের ছিলেন না, তিনি মূলত ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী এবং আপামর জনসাধারণের অধিকার ইনসাফের ভিত্তিতে নিশ্চিতের লড়াইয়ের বীর ছিলেন। হাদি ভাইয়ের এই ইনসাফের লড়াই যেন হারিয়ে না যায় তাই আমাদের এই কর্মসূচি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেট, প্রশাসনিক ভবন, মুক্তমঞ্চ সংলগ্ন ম্যুরাল এবং একাডেমিক ভবনে গ্রাফিতি অংকন করি।’

এছাড়াও আয়োজক এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, ‘এই কর্মসূচির মাধ্যমে শহিদ ওসমান হাদি ভাইয়ের স্মৃতি নতুন প্রজন্মের মাঝে জীবন্ত রাখা এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করে ইনসাফ কায়েমের পথ অগ্রসর করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।’

উক্ত, কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom