শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে শিল্পাঞ্চল পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের পর অনেকটায় স্বাভাবিক কর্ণফুলীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৫৩৫ অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ইরান, গাজা, ইউক্রেনের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের পরাজয়ের মানে কী Ramayana Box Office Collection Day 1: Ranbir Kapoor, Yash’s Film Mints Rs 64.85 Crore On Opening Day | Bollywood News ‘Ordinary bowler’: Ex-India captain slams CSK’s ‘confusing’ trade, says SRH are the real winners | Cricket News শিল্পকারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টিতে পলাতক আ.লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী মইজ্জ‍্যারটেকে আবাসিক হোটেলের আড়ালে দেহ ব্যবসার অভিযোগ ‎শ্যামনগরে লবণাক্ততা নিরসন ও কৃষি অভিযোজনবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

গাংনীতে দুই সহোদর হত্যা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১০১ সময় দেখুন
গাংনীতে দুই সহোদর হত্যা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড – Corporate Sangbad


সেলিম রেজা, মেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজীপুর বর্ডার পাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম ও আবুজেল দুই সহোদর চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

রবিবার (২ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস চঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- গাংনী উপজেলার কাজিপুর গ্রামের কিয়ামত আলীর ছেলে হালিম, একই গ্রামের আসের হালসানার ছেলে আতিয়ার, আব্দুল জলিলের ছেলে জালাল উদ্দিন, নজির আলীর ছেলে শরিফুল ইসলাম, দবির উদ্দিনের ছেলে শরিফ, নবীর উদ্দিনের ছেলে দবির উদ্দিন। আফেল উদ্দিন ওরফে আফেল সরদারের ছেলে আজিজুল, দাবির উদ্দিনের ছেলে ফরিদ এবং মুনসারের ছেলে মনি।এর মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জালাল উদ্দীন পলাতক।

মামলার বিবরনে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৫ জুন কাজিপুর এলাকায় ফেনসিডিলের একটি বড় চালান ধরা পড়ে। ওই ঘটনায় একই গ্রামের কিয়ামুর্দ্দীনের ছেলে আবুজেল(৩৫) ও রফিকুল ইসলাম(৪০) ফেনসিডিল ধরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে হাত রয়েছে এমন অভিযোগ তোলা হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০১২ সালের ১৫ জুন রাতে বিষয়টি মীমাংসা করবে বলে দুই ভাইকে মোবাইল ফোনে ডেকে নেয়। পরদিন সকালে কাজিপুর গ্রামের মন্ডল পাড়ার বাংলাদেশ ভারত ১৪৫ নং/এস-৬ নং সীমানা পিলারের কাছ থেকে বাংলাদেশ সীমানার ভেতরে ৭০-৭৫ গজ দক্ষিনে লালটুর মরিচ ক্ষেত থেকে তাদের দুই ভাইয়ের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। দুই ভাই হত্যার পর ওই এলাকার ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

পরে দুইসহোদ হত্যার ঘটনায় জরিনা বেগম বাদী হয়ে দঃবিঃ ৩০২/৩৪ ধারায় গাংনী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ১, জি আর কেস নং ৪৩৩/১২, দায়রা নং ১১/২০১৫। পরে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা গাংনী থানার ওসি আসাদুজ্জামান মামলার প্রাথমিক তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষে আসামী হালিম, আতিয়ার, জালাল উদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, শরিফ, দবির উদ্দিন, আজিজুল, ফরিদ ও মনি নামের ৯ ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। একই সাথে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়।

মামলার অপর আসামি আরিফ, রাজিব, আলমেস, হারুন ও ফারুকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদেরকে বেকসুর খালাস দেন। মামলার রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পিপি কাজী শহিদুল হক এবং আসামি পক্ষে এ্যাডঃ আতাউল হক, এ কে এম শফিকুল আলম এবং কামরুল হাসান কৌশলী ছিলেন।

এদিকে চাঞ্চল্যকর দুই ভাই হত্যার মামলার রায় ঘোষণার প্রাক্কালে আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তা মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বেলা ১১ টার পর বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস এজলাসে প্রবেশ করেন। এরপর কয়েকটি মামলার শুনানি শেষ করে বেলা ১২ টার দিকে চঞ্চলকর এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। এর আগে মামলার মোট ১৪ জন আসামিকে কাঠগড়ায় ডেকে নেওয়া হয়। এর মধ্যে ২ জন পলাতক থাকেন। আদালতে উপস্থিত আসামীর মধ্যে খালাস প্রাপ্তদের পৃথকভাবে দাঁড় করানোর নির্দেশ দেন। এরপরপরই বিচারক বলেন, যেহেতু হত্যাটি চাঞ্চল্যকর হত্যার ঘটনা। সেহেতু সাক্ষীদের সাক্ষ্য এবং সুরতহাল রিপোর্ট অনুযায়ী ৯ জনকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেয়া হলো। এর পরপরই আসামীদের কড়া নিরাপত্তা মূলক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে আদালত থেকে কারাগারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়। আদালতের বাইরে সাজাপ্রাপ্তদের আত্মীয়-স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর