শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন

চাঁদাবাজি অভিযোগ ভিত্তিহীন বললেন জবি শিক্ষার্থী

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫
  • ১১০ সময় দেখুন
চাঁদাবাজি অভিযোগ ভিত্তিহীন বললেন জবি শিক্ষার্থী


জবি প্রতিনিধি:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে খাবারের দোকানের জায়গা দখল করে চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা হলেন,রাশেদ বিন হাকিম, যিনি ২০১১-১২ সেশনের ছাত্র, এবং ২০১৬-১৭ সেশনের ছাত্র ওমর ফারুক।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থী ২০২৪ সালের নভেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় অন্যের দোকান দখল করে “খাওন দাওন” নামে একটি খাবারের দোকান চালু করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আগে যে দোকান পরিচালনা করতো অত্যান্ত গরীব। দোকানে উপার্জিত টাকা দিয়েই চলতো তার পরিবার। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে দখল করে নেয় তারা বলে জানা যায়।


প্রথমদিকে ব্যবসা ভাল চলছিল, কিন্তু এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে দোকানটি বন্ধ ছিলো। এই বিরতির সময়ে, রাশেদ বিন হাকিম ও ওমর ফারুক অভিযোগ অনুযায়ী দোকানের জায়গা দখল করার কথা বলে জিনিসপত্র গুছিয়ে নেওয়ার জন্য বলে। দোকানের মালিকগণ অসম্মতি জানালে , অভিযুক্তরা ২৫ মার্চ মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে দোকানের মালামাল নিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ আছে।

এ বিষয়ে শিহাব প্রান্ত, দোকানের একজন মালিক, বলেন, “জুলাই মাসে আমরা কয়েকজন বন্ধু সিদ্ধান্ত নিই একটি ছোট ব্যবসা শুরু করার। আমরা নিজেদের সঞ্চিত কিছু টাকা দিয়ে ব্যবসা শুরু করি। দোকানি সাময়িক বন্ধ রেখে ঈদের পরে চালু করার পরিকল্পনা করি।এই সময়ে রাশেদ এবং ফারুক আমাকে কল করে এবং বিভিন্ন প্রশ্ন করতে থাকে, যেমন আমরা কখন ব্যবসা শুরু করেছি এবং আমরা কি ব্যবসা চালিয়ে যাবো কি না। এক পর্যায়ে তারা আমাদেরকে জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলে আমরা অস্বীকৃতি জানালে তারা আমাদের জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যাই বলে অভিযোগ করেন শিহাব প্রান্ত।

এ বিষয়ে ওমর ফারুক বলেন,আমরা কোনো দোকান দখল করতে যায়নি। দোকান টা অনেক দিন বন্ধ ছিলো, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি মাত্র ক্যান্টিন। খাবার অনেক সময় পাওয়া যায় না এবং আমার এক পরিচিত জুনিয়র আর্থিক ভাবে অসচ্ছল হওয়ায় তারে দোকান টা চালু করার জন্য সহযোগিতা করতে সেখানে যাই। অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিলো না, চাঁদাবাজীর অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে বলেন,তাদের কাছে কি কোনো প্রমাণ আছে আমরা চাঁদা চেয়েছি।আমরা চাঁদাবাজির বিষয়টা যদি প্রমাণ করতে না পারে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবো

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর