সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কর্ণফুলীতে গভীর রাতে সরকারি গাছ কেটে জমি দখলের চেষ্টা বিএনপি নেতাসহ সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ ইউএনওর জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে নতুন প্রজন্মকে বইমুখী হতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী প্রতিটি ইউনিয়নে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাতিয়ায় ২০০০ লিটার চোরাই ডিজেল ও মবিল জব্দ, গ্রেফতার ১ দিল্লিতে ছাত্রাবাসধসে নিহত বেড়ে ৬, আরও শিক্ষার্থী আটকা পড়ার শঙ্কা Taapsee Pannu On Not Being Offered More Big-Scale Films Post Dunki: ‘I Lag Behind In Contacts’ | Exclusive | Bollywood News ‘Pakistan cricket on a ventilator’: Shoaib Akhtar’s brutal verdict as ‘nothing’ is expected from squad | Cricket News রাজশাহীতে এদিন’র পত্রিকার প্রতিনিধি সম্মেলন যবিপ্রবি পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে নিয়োগ ও পদোন্নতি জটিলতা, স্থবির একাডেমিক কার্যক্রম সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি বিল’ উত্থাপন, বিরোধীদলের ওয়াকআউট

দিল্লিতে ছাত্রাবাসধসে নিহত বেড়ে ৬, আরও শিক্ষার্থী আটকা পড়ার শঙ্কা

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৩ সময় দেখুন
দিল্লিতে ছাত্রাবাসধসে নিহত বেড়ে ৬, আরও শিক্ষার্থী আটকা পড়ার শঙ্কা


ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় একটি বহুতল ছাত্রাবাস (পেইং গেস্ট) ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়ে দাঁড়িয়েছে। আরও ছাত্রছাত্রী ভেতরে আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এইমস হাসপাতাল মৃত্যুর সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। উদ্ধার করে হাসপাতালে আনা আরও ছয়জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর ১:৩০ নাগাদ দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লিতে এ ঘটনা ঘটে।

ভবন ধসের সময় এর ভেতরে দুই থেকে চার ডজন মানুষ ছিলেন। তবে কতজন মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন তা কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেননি।

সোমবার সকালে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বলেছেন, ‘হোস্টেল ডেজ’ নামের ভবনটির বেসমেন্টে চলমান মেরামতের কাজের সঙ্গে পানি জমে থাকার কারণে এটি ধসে পড়েছে।

গুপ্তা আরও বলেন, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কলেজ থেকে অল্প দূরে অবস্থিত ভবনটি থেকে প্রায় ৮০ শতাংশ ধ্বংসাবশেষ সরানো হয়েছে। শুধুমাত্র বেসমেন্টের ধ্বংসস্তূপ অবশিষ্ট রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত ১২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ছয়জন মারা গেছেন এবং বাকি ছয়জন স্থিতিশীল অবস্থায় আছেন। আমরা তাদের সকলের অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি এবং তারা যাতে কোনো অসুবিধার সম্মুখীন না হন, তার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। শিশুরা যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছে।

ধারণা করা হচ্ছে, রোববার ক্লাস না থাকায় ভবনটি ধসের সময় সেখানে থাকা অনেক শিক্ষার্থী তাদের কক্ষেই ছিল।

ঘটনাস্থল থেকে একজন স্থানীয় বিধানসভার সদস্য জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া কয়েকজন শিক্ষার্থী চিৎকার করে ডাকছিল।

উদ্ধারকারীরা এখনও ধ্বংস্তূপের নিচে শিক্ষার্থীদের খুঁজছেন। ছবি: দ্য হিন্দু।

দুর্ঘটনাটি ঘটার সময় কাছেই নিজের দোকানে থাকা এক প্রত্যক্ষদর্শী সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে বলেন, ভবনটি ধসে পড়ার শব্দ ‘ভূমিকম্পের গর্জনের মতো’ ছিল।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে আসি। সেখানে প্রচুর ধোঁয়া আর ধুলো ছিল। পুরো ভবনটি ধসে পড়েছিল। কয়েকটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং তখনও জীবিত এমন চারজন শিক্ষার্থীকেও উদ্ধার করা হয়েছে।’

ওই প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তিনি ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিক্ষার্থীদের ‘আমাদের বাঁচান, আমাদের বাঁচান!’ বলে চিৎকার করতে শুনতে পাচ্ছিলেন।

মুখ্যমন্ত্রী গুপ্তা বলেছেন, ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে’ পাশের একটি ভবন খালি করা হয়েছে। এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী সোমবার সেটি ভেঙে ফেলা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আটকে পড়াদের নিরাপদে উদ্ধার করার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ভবনটি মাত্র ৪০ বা ৫০ বছরের পুরনো ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী দোকানদার এএনআই-কে জানান, দোকানটি ১০০ বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছিল। ইজারাদার ছাত্রাবাস সম্প্রসারণ ও নিজেদের আয় বাড়ানোর জন্য বেসমেন্টে খননকাজ চালিয়েছিলেন।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, একজন পৌর কর্মকর্তা বলেছেন, সম্প্রতি ভবনটিতে কোনো খনন বা কাঠামোগত কাজ করা হয়েছিল কিনা, তা তারা খতিয়ে দেখছেন।

তিনি বলেন, ‘অবিরাম বৃষ্টির কারণে, আমরা জল চুইয়ে পড়ার ফলে কাঠামোটি দুর্বল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছি। মেরামত বা অন্য কোনো কাজও এই ধসের কারণ হতে পারে। তবে, এই পর্যায়ে সঠিক কারণ নির্ণয় করা কঠিন।’

পুলিশ ভবনটির মালিকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে এবং তাকে খুঁজছে।

ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া (এনএসইউআই) সরকারের কাছে এই ধসের কারণ তদন্ত করার এবং দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে।

সত্য নিকেতন একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। সেখানে বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী বাস করে এবং আশেপাশে বেশ কয়েকটি ছাত্রাবাস রয়েছে।

এলাকাটি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের কাছাকাছি এবং ক্যাম্পাসে হোস্টেল সুবিধা না থাকায় দিল্লির বাইরে থেকে আসা অনেক ছাত্রছাত্রী সস্তা বেসরকারি হোস্টেল ও পেয়িং-গেস্ট (পিজি) আবাসনে থাকতে বাধ্য হয়।

 





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর