রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখন থেকে নেওয়া হবে পরীক্ষার ফি’

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
  • ২৭ সময় দেখুন
‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখন থেকে নেওয়া হবে পরীক্ষার ফি’


ঢাকা: এখন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি নেওয়া হবে। এতদিন এই পরীক্ষা ফি নেওয়া হতো না। পরিচালনার ব্যয় মেটাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শ্রেণিভেদে নির্ধারিত হারে ফি নেওয়ার এমন নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন।

শনিবার (১৩ জুন) বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কার্যালয়ে এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গার্লস গাইডস হলদে পাখি সম্প্রসারণে পাখি ও প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ সম্মেলন হয়।

মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘বর্তমানে প্রধান শিক্ষককে স্লিপ বরাদ্দ দেওয়া হয়। তা দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষা আয়োজন করা কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেক সময় শিক্ষকদের পকেট থেকে টাকা খরচ করতে হয়। তাই শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় না করে (শিক্ষার্থীদের থেকে) নির্ধারিত সীমার মধ্যে এ অর্থ নেওয়া যেতে পারে।’

সচিব বলেন, ‘তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ৩০ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির জন্য ৪০ টাকা ও পঞ্চম শ্রেণির জন্য ৫০ টাকা করে পরীক্ষা ফি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো অন্যায় কাজ নয়, কারণ শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে পরীক্ষা নেওয়া বাস্তবসম্মত নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে স্লিপের বরাদ্দ সীমিত হলেও ভবিষ্যতের জন্য এই বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরে বিদ্যালয়গুলো তুলনামূলক বেশি অর্থ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

পরীক্ষা ফি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে উল্লেখ করে গণশিক্ষা সচিব বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজন হলে আমি নিজেই ব্যাখ্যা দেবো। বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এর চেয়ে বেশি হারে পরীক্ষা ফি নেওয়ার উদাহরণ রয়েছে। শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ না দিয়ে পরীক্ষার মতো কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাস্তবভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।’

সম্মেলনে বাংলাদেশ গার্লস গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার কাজী জেবুন্নেছা বেগমের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (পরিকল্পনা) ছাইফুল ইসলাম, গার্লস গাইড অ্যাসোসিয়েশনের হলদে পাখি কমিশনার বেলা রাণী সরকার, ডেপুটি জাতীয় কমিশনার (প্রোগ্রাম) অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন আহমেদ, রাজধানী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিশনার আনজুমান আরা, ইয়াসমিন আক্তার বানু ও রওশন আরা খান।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom