শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে শিল্পাঞ্চল পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের পর অনেকটায় স্বাভাবিক কর্ণফুলীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৫৩৫ অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ইরান, গাজা, ইউক্রেনের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের পরাজয়ের মানে কী Ramayana Box Office Collection Day 1: Ranbir Kapoor, Yash’s Film Mints Rs 64.85 Crore On Opening Day | Bollywood News ‘Ordinary bowler’: Ex-India captain slams CSK’s ‘confusing’ trade, says SRH are the real winners | Cricket News শিল্পকারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টিতে পলাতক আ.লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী মইজ্জ‍্যারটেকে আবাসিক হোটেলের আড়ালে দেহ ব্যবসার অভিযোগ ‎শ্যামনগরে লবণাক্ততা নিরসন ও কৃষি অভিযোজনবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনে ৭৫ শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে: আপিল বিভাগ – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৩
  • ১২০ সময় দেখুন
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনে ৭৫ শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে: আপিল বিভাগ – Corporate Sangbad


কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ৭৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগে ১০০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে বলা হয়, রূপান্তরিত পদ্ধতিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আইন বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি আসন ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ করা হয়। এর বেশী শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবেনা। আর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগে ১০০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করবে।

এ ছাড়া রায়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগে থেকেই আইন বিভাগে ৫০ জনের অধিক ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী প্রতি ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন। এ জরিমানার টাকার ৮০ শতাংশ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলকে ও ২০ শতাংশ সুপ্রিম কোর্টের ডে কেয়ার সেন্টারকে দিতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই জরিমানার টাকা পরিশোধ করবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে অতিরিক্ত ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের রিভিউ আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

এদিন আদালতে শিক্ষার্থীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম। বার কাউন্সিলের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার এস এম কফিল উদ্দিন।

আইনজীবী আহসানুল করিম আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ২০১৭ সাল থেকে আপিল বিভাগের এই আদেশ কার্যকর হবে।

এর আগে ১৩ এপ্রিল দেশের কোনো সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনে প্রতি সেমিস্টারে ৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না বলে মতামত দিয়েছিলেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। এছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চার বছর মেয়াদী আইনের ডিগ্রি ব্যতীত অন্য কোনো ডিগ্রি গ্রহণযোগ্য হবে না।

দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলার আপিলের পূর্ণাঙ্গ রায়ে এমন পর্যবেক্ষণ দেন আপিল বিভাগ।

আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, জেলা জজ আদালত ও হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে (রেজিস্ট্রেশন) নিবন্ধিত হওয়ার ক্ষেত্রে বয়স নির্ধারণের ব্যাপারে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল একটি রুলস করতে পারে।

এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি মৌখিক রায়ে নিবন্ধনের জন্য ৪০ বছর বয়স নির্ধারণের ব্যাপারে আদালত মত দিয়েছিলেন বলে আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন। তবে পূর্ণাঙ্গ রায়ে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো বয়সসীমা উল্লেখ করা হয়নি।

রায়ে আইন পেশার মান নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের বিষয়ে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে আইনের সিলেবাস প্রণয়নের ক্ষেত্রে বার কাউন্সিল তদারকি করতে পারবে।

বার কাউন্সিল যেভাবে নির্দেশনা দেবে সেই অনুযায়ী যথেষ্ট পরিমাণ শিক্ষক নেই এমন কোনো সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বা ল’ কলেজ আইন পড়াতে পারবে না। বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেট হিসেবে সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে প্রতি বছর এনরোলমেন্ট পরীক্ষার কার্যক্রম শেষ করবে।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ এই মামলায় দারুল ইহসানের আপিল খারিজ করে দেন। তাই দারুল ইহসানের পাঠদানের আর কোনো সুযোগ নেই।

দারুল ইহসান বন্ধ সংক্রান্ত রায়েই হাইকোর্ট বিভাগ আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধিত হওয়ার ক্ষেত্রে কিছু শর্তও বেঁধে দিয়েছেন। আপিল বিভাগ সে রায় কিছুটা সংশোধন করে নতুন এই পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন।

বার কাউন্সিলের সনদ গ্রহণের পরীক্ষায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বছর মেয়াদী ডিগ্রিধারীদের সনদ নিয়ে জটিলতার পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া রিটের রায়ে ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই এলএলবি কোর্স সম্পর্কে কিছু নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশও দেন আদালত।

হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় আপিল করে। ওই মামলায় দারুল ইহসানের আপিল খারিজ করেছেন আদালত। এছাড়া একই মামলায় অন্য যেসব বিশ্ববিদ্যালয় পক্ষভুক্ত হয়েছিল সেসব আবেদনও নিষ্পত্তি করেছেন আপিল বিভাগ।

আরও পড়ুন:

বিচারপতিকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য: নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন দিনাজপুর পৌর মেয়র



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর