মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

ভয়ংকর দুর্ভোগে পড়েছে ঘরমুখো মানুষ: রিজভী

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ২ মে, ২০২২
  • ১৭৯ সময় দেখুন
ভয়ংকর দুর্ভোগে পড়েছে ঘরমুখো মানুষ: রিজভী


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ইদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষ ভয়ংকর দুর্ভোগে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার (২ মে) দুপুরে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিজভী বলেন, ‘এই দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী মুসলমান। তাদের সর্ববৃহৎ এবং প্রধান উৎসব ইদুল ফিতর। এই ইদুল ফিতরে মানুষ কর্মস্থল থেকে ছুটি পাওয়ার পর নিজের মাতৃভূমিতে, নিজের এলাকায় একটা আকাঙ্ক্ষা এবং আবেগ নিয়ে ছুটে যায়। এবারও আপনারা দেখেছেন ভয়ংকর দুর্ভোগের মুখোমুখী পড়েছে ঘরমুখো মানুষ।’

‘আমরা দেখেছি পিকআপে করে, বাসের ছাদে চড়ে মানুষ যেভাবে গেছে, কোনো আদম সন্তান এভাবে যেতে পারে না। কিন্তু এ ব্যাপারে সরকার ভ্রুক্ষেপ করে না। বাসের টিকেট কালোবাজারে বিক্রি হয়েছে। রেলের টিকেট কাউন্টারে নেই, কিন্তু কালোবাজারে বিক্রি হয়েছে। লঞ্চেরও সেই অবস্থা। পানিপথ, রেলপথ, সড়ক পথ— প্রতিটি জায়গায় অরাজকতা হয়েছে। জবাবদিহিতামূলক কোনো সরকার না থাকার কারণে এই ধরনের অরাজকতা, অবিচার, অনাচার ও সর্বনাশা কর্মকাণ্ডই ঘটে,’— বলেন রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, “এরপরও প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্যা মন্ত্রী বলছেন…। কেউ কেউ স্বীকারও করছেন, ‘হ্যাঁ কিছুটা সমস্যা হচ্ছে, আমরা সেইগুলো সামাল দিচ্ছি।’ কিন্তু উনারা তো সড়কে যান না। গেলেও উনাদের গাড়ি পুলিশ বাঁশি বাজিয়ে নিয়ে যায়, রাস্তা ফাঁকা করে দেওয়া হয়। কিন্তু ডানে-বামে মানুষ যে আর্তনাদ করছে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়ির মধ্যে, বাসের মধ্যে বসে এই রমজান মাসে, রোজার মাসে যন্ত্রণা ভোগ করছে, এটা মন্ত্রীরা, প্রধানমন্ত্রী দেখেন না।”’

রিজভী বলেন, ‘এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামের যে অভিঘাত, সেই অভিঘাতে ক্ষতবিক্ষত এই দেশের সাধারণ মানুষ। তার ওপর ইদের কেনা-কাটা। মানুষ সাধারণত তাদের সন্তানদের ইদে ভালো কাপড় দেয়। সেই কাপড় কেনার সামর্থ্য তাদের ছিল না। বিশেষ করে মধ্যম আয়ের মানুষ, নিম্ন আয়ের মানুষরা এবার ইদের কেনাকাটা করতে পারেনি।’

তিনি বলেন, ‘এখানে যারা দাঁড়িয়ে আছে, তারা সবাই শ্রমিক, শ্রমজীবী মানুষ। এদের প্রত্যেকের বাসায় কীভাবে ইদ হচ্ছে আমরা জানি না। এরা তাদের সন্তানদের, নিকট আত্মীয়দের নতুন কাপড় দিতে পেরেছেন— এটা আমার জানা নেই। এরকম একটি পরিস্থিতির পরও আমরা বড় বড় কথা শুনেছি মন্ত্রীদের। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রতিটি মন্ত্রীর কথা শুনছি।’

এসময় শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেনসহ সংগঠনটির বেশকিছু নেতাকর্মী সমর্থক সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা/এজেড/টিআর





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom