শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ি মানেই মোমোর ঠিকানা। মোমো খেতে সকলেরই পছন্দ। পাহাড়ের কোলে দাঁড়িয়ে মোমো খাওয়ার আনন্দই আলাদা। শহরাঞ্চলে তিব্বতি এই মোমো দাপিয়ে খাচ্ছে সকলে। মোমোর নানা ভ্যারাইটির কথাও সকলেরই জানা। চিকেন মোমো, ফ্রাই মোমো, পনির মোমো সবটাই হলো কিন্তু এ এক অন্য স্বাদের মোমো। তন্দুরি মোমো, মোমোকে ডিপ ফ্রাই করে, তাতে তন্দুরি মশলা লাগিয়ে আগুনে পুড়িয়ে তৈরি হয় তন্দুরি মোমো। আর এই তন্দুরি মোমো খেতে হলে আপনাকে আসতে শিলিগুড়ির মিলনপল্লি এলাকার এসএফ রোডের ধারে।
শিলিগুড়ির বাসিন্দা রাকেশ গুপ্তা বেঙ্গালুরু গিয়ে প্রথমে এই তন্দুরি মোমোর স্বাদ আস্বাদন করেন। তন্দুরি মোমো খেয়ে এতটাই ভাল লাগে যে, সে শিলিগুড়িতে এসে নিজের আউটলেটে এই তন্দুরি মোমো বানানো শুরু করেন। আর তাতেই কেল্লাফতে! সকলে এত পছন্দ করছেন মোমো, যে বাধ্য হয়ে দুটো আউটলেট খুলে দিতে হয়েছে। এক দোকানে ভিড় সামলানো যাচ্ছে না।
আরও পড়ুনঃ মহাদেবের মহালীলা, শিবলিঙ্গ চলে যাচ্ছে জলের নীচে! আমতায় দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসছে মানুষ
রাকেশ বলেন, তাঁর দোকানে সমস্তটাই ভেজ মোমো পাওয়া যায়। সেই ভেজ মোমোকে ডিপ ফ্রাই করে, স্পেশ্যাল মশলা দিয়ে আগুনে গরম করে, মেয়োনিজ চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। এসএফ রোডের এই দোকানে এতটাই ভিড় হয় যে মাঝে মাঝে ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয়।
রাকেশ আরও জানান, কেউ যদি ভেজ মোমো খেতে চায় তাহলে তার দাম মাত্র ৩০ টাকা। আর তন্দুরি মোমো খেতে হলে ৮ পিসের দাম ৭০ টাকা। তিনি সকলকে তার দোকানে এসে একবার মোমো খাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মোমো খেতে এসেছিলেন কমল প্রসাদ। তিনি বলেন, “এখানে যে তন্দুরি মোমো পাওয়া যায় তা সত্যিই অত্যন্ত অসাধারণ। আমরা মাঝে মাঝেই এই দোকানে খেতে আসি এবং সকলকেও একবার হলেও ওই তন্দুরি মোমো খেয়ে যাওয়ার অনুরোধ করব, এই মোমো না খেলে অনেকটাই মিস করবে সকলে।”
অনির্বাণ রায়
নিউজ১৮ বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে দৈনিক টাটকা খবর, খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে ভরসাযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন নিউজ১৮ বাংলার ওয়েবসাইটে।