#লন্ডন: দু’টি ১১তলা বিল্ডিংয়ের মধ্যিখানে অবস্থিত স্বচ্ছ জলের সুইমিং পুল। গগনচুম্বী সুইমিং পুলের পাশেই রয়েছে বিলাসবহুল বার ও স্পা। শুধু তাই নয়, সুইমিং পুলে সাঁটার কাটতে কাটতে দেখবে পাবেন লন্ডন আই (London Eye)। বিশ্বের প্রথম এইভাসমান সুইমিং পুল এককথায় অসাধারণ। রোমাঞ্চকর তো বটেই, কিন্তু বেশ ঝুঁকিপূর্ণও। এই অভিনব পুলের ছবি ও ভিডিও এখন নেটদুনিয়ায় ট্রেন্ডিং।
সম্প্রতি লন্ডনে বিশ্বের প্রথম ভাসমান সুইমিং পুল খুলেছে। স্বচ্ছ স্কাই পুলটি ৮২ ফিট লম্বা, সাউথওয়েস্ট লন্ডনে দু’টি বিলাসবহুল এমব্যাসি (Embassy গার্ডেন অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকের ১১তম তলের মাঝখানে রয়েছে। অনলাইনে পুলটির ঝলমলে বায়বীয় দৃশ্য প্রকাশের পর থেকেই সকলের চোখ আকর্ষণ করেছে। কিন্তু এতটা উচ্চতায় ঝুলন্ত সুইমিং পুলটিকে অনেকে আবার ‘দুঃস্বপ্ন ‘ বলে মনে করছে।
মাটি থেকে ১১৫ ফিট উপরে, এমব্যাসি গার্ডেনে সুইমিং পুলটি রয়েছে। ৫০ টন জল রয়েছে ওই শৌখিন সুইমিং পুলে। একইসঙ্গে পুলের পাশে রয়েছে রুফটপ বার ও স্পা যেখানে বসে চোখের সামনে দেখতে পাবেন হাউজ অফ পার্লামেন্ট, লন্ডন আই এবং মার্কিন দূতাবাস।
Good for them……but me???
Hell no!!!
Scared to death of heights https://t.co/rKBVv4KDZG
— Chipper Jones (@RealCJ10) June 1, 2021
একেরসলি ও’ ক্যালাঘান (Eckersley O’Callaghan) নামে এক দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার তৈরি করেছেন নজরকাড়া এই পরিকাঠামো। যার দু’টি বেডরুম অ্যাপার্টমেন্টের আকাশচুম্বী দাম ১.৪ মিলিয়ন। রিপোর্ট অনুযায়ী, শুধুমাত্র ওই বিল্ডিং-এর বাসিন্দারা এবং তাদের অতিথিরাই ওই অসাধারণ সুইমিং পুলটি ব্যবহার করতে পারবেন।
এমব্যাসি গার্ডেন Instagram-এ স্কাই পুলের উদ্বোধনের একটি পোস্ট শেয়ার করে উল্লেখ করেছে, এই কাঠামোটি ১৪৮,০০০ লিটার জলে পূর্ণ হবে। তবে রাতারাতি নয়, ২০১৩ সালে এই নজরকাড়া পরিকাঠামোর ধারণা নিয়ে এসেছিল এমব্যাসি গার্ডেন। যদিও প্রথমে একটি আউটডোর সুইমিং পুল করার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু সেক্ষেত্রে জায়গায় অভাব দেখা যায়। শুধুমাত্র লিগাসি (Legacy) বিল্ডিং-এর মাঝেই যথেষ্ট জায়গা থাকায় এই অন্যরকম সুইমিং পুল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে যেখানে প্রোজেক্টটির ডিরেক্টর ব্রায়ান একারসলে (Brian Eckersley) অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দাদের উড়ে যাওয়ার মতো পুলটিতে সাঁতার কাটানোর গৌরব অনুভব করছেন, সেখানে নেটিজেনরা কেউ কেউ এই সাহসকে খুব একটা বাহবা দেননি। Twitter-এ অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণ সুইমিং পুলে স্নান করা একটি “দুর্যোগের কৌশল” এবং “একটি দুঃস্বপ্ন” বলে অভিহিত করেছেন। অনেকেই এত উচ্চতায় মৃত্যুর ভয় প্রকাশ করেছেন। যেমন একজন ট্যুইটারেতি লিখেছেন, “কাচের ডেথ পুলে কখনওই সাঁতার কাটব না।” আবার অন্য আরেকটি কমেন্ট আসে, “আমি উচ্চতা পছন্দ করি কিন্তু কিছু জিনিস মূল্যবান নয়। আমি গ্রাউন্ড পুলগুলিতেই থাকব।”