শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন

জবি সংস্কারে ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের ১১ দফা দাবি

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১১৩ সময় দেখুন


জবি করেসপন্ডেন্ট
৯ জানুয়ারি ২০২৫ ১৭:৪৪

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও সংস্কারের লক্ষ্যে ১১ দফা দাবি পেশ শাখা ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের।

জবি: ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা সাম্প্রতিক সময়ে উদ্ভুত পরিস্থিতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও সংস্কারের লক্ষ্যে ১১ দফা দাবি পেশ করেছে।

৯ জানুয়ারি (বুধবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে দাবিগুলো পেশ করা হয়। সম্মেলনে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন, জবি শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন, জবি শাখার সভাপতি আব্দুল ওয়াহীদ বলেন, ‘আপনারা জানেন, সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও অগ্রহণযোগ্য। পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে আছে। আমরা এই পরিস্থিতি উন্নয়নের স্বার্থে ১১ দফা দাবি পেশ করছি।’

শাখা সাধারণ সম্পাদক মো. আশিকুর রহমান আকাশ ১১ দফা দাবি পাঠ করেন। তাদের দাবিগুলো হলো:

১. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হকের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

২. সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরাপত্তা টিম গঠন করতে হবে।৩. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি থেকে বৈষম্যমূলক পোষ্য কোটা বাতিল করতে হবে।

৪. বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা সংলগ্ন অবৈধ বাস ও লেগুনা স্ট্যান্ড অপসারণ করতে হবে।

৫. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের নির্মাণ কাজের দুর্নীতি তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করতে হবে এবং চলমান টেন্ডার বাতিল করে সেনাবাহিনীর কাছে টেন্ডার কার্যক্রম হস্তান্তর করতে হবে।

৬. দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় শিক্ষার্থীদের বৃত্তির আওতায় আনতে হবে।

৭. কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি সংস্কার ও সম্প্রসারণ করতে হবে।

৮. মেডিকেল সেন্টার সম্প্রসারণ এবং ২৪/৭ চিকিৎসা সেবা চালু করতে হবে।

৯. জকসু নির্বাচনের তারিখ, নীতিমালা ও প্রস্তুতির পরিকল্পনা শিক্ষার্থীদের সামনে প্রকাশ করতে হবে।

১০. কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিস সময় নিশ্চিত করতে হবে।

১১. বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক মানোন্নয়নের লক্ষ্যে তিন বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের কাছে তা পেশ করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দরা বলেন, ‘আমাদের দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব এবং প্রয়োজনে প্রশাসনের পদত্যাগের দাবিও তুলব।’

তারা আরও বলেন, ‘৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ঢাকার গুলিস্তানে দুর্বৃত্তদের হামলায় জবি প্রক্টর এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হক আহত হন। এছাড়া ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দ্বারা শিক্ষার্থী জিহানকে মারধর, ক্যাম্পাসে অপরাজনীতির চর্চা এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীনতা আমাদের গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

এছাড়া নেতৃবৃন্দরা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাজুড়ে যানজট, বাস ও লেগুনা স্ট্যান্ডের কারণে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি দূর করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

সারাবাংলা/এনজে

জবি
দাবি
শাখা ইসলামি ছাত্র আন্দোলন
সংস্কার





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর