রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Udta Teer Box Office Day 2: Ayushmann Khurrana, Sara Ali Khan’s Film Picks Up Pace, Earns Rs 7 Crore | Bollywood News Asian Para Games bronze leaves Suhas Yathiraj hungry for gold amid IAS duties and badminton | Asian Para Games 2026 News সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির ৮ম বৈঠক অনুষ্ঠিত হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ শিডিউল করবেন যেভাবে ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৮৯৮ Nihal Sarin, Koneru Humpy clinch individual gold medals at European Chess Club Cup 2026 | Chess News Diljit Dosanjh’s Delhi Concert Gets Police Nod; Kalki 2898 AD Sequel Makers Drop First Look Video | Bollywood News সাজেকে পর্যটকদের জীবন রক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসায় পার্বত্য নাগরিক অধিকার পরিষদ বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য হুইপ নিজানের দুঃখপ্রকাশ সিএমপি’র চকবাজার থানার অভিযানে আলোচিত ডিডিএন অফিসে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত অন্যতম হামলাকারী মোঃ রাজ্জাক ওরফে চিকনা রাজু গ্রেফতার

পানির নিচে একসঙ্গে ১১৬ ডুবো ড্রোন, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে চীন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২০৭ সময় দেখুন
পানির নিচে একসঙ্গে ১১৬ ডুবো ড্রোন, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে চীন


ড্রোন চলছে এবার পানির নিচে। তাও আবার একসঙ্গে ১১৬টি। আর একসঙ্গে এতগুলো স্বয়ংক্রিয় ড্রোন চালিয়ে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়ল চীনের এক গবেষক দল। মানুষের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই ড্রোনগুলো নির্ধারিত পথে চলাচল করে। ২৯ অগাস্ট ৫০ মিটার দীর্ঘ ও ২০ মিটার প্রশস্ত এক পুলে এই পরীক্ষা চালানো হয়। এ সময় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের কর্মকর্তারা পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এর পর এটিকে রেকর্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

চীনের উইয়ন নিউজ জানায়, ড্রোনগুলো তৈরি করেছে নর্থওয়েস্টার্ন পলিটেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি ও জিয়ান তিয়ানহে মেরিটাইম টেকনোলজিসের গবেষকরা। প্রদর্শনীতে পানিতে নামানোর পর প্রতিটি ড্রোনের অনবোর্ড স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা নেভিগেশন ও সমন্বয়ের দায়িত্ব নেয়। এরপর ১১৬টি ড্রোন একসঙ্গে পানির নিচে প্রায় ১ হাজার ৬৪০ ফুট পথ পাড়ি দেয়।

‘নর্থওয়েস্টার্ন পলিটেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি’র প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই প্রকল্পে ব্যবহৃত ড্রোনগুলোর মডেল টিএইচ-৬১৮। প্রতিটি ড্রোনের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৪ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৭ দশমিক ৮ ইঞ্চি। ওজন প্রায় ৫ কেজি। এই কাজে তাদের সহযোগিতা করেছে চীনের প্রতিরক্ষা ঠিকাদারি কোম্পানি ‘শিয়ান তিয়ানহে ডিফেন্স টেকনোলজি’র সামুদ্রিক সরঞ্জাম সরবরাহকারী সহযোগী কোম্পানি ‘শিয়ান তিয়ানহে মেরিটাইম টেকনোলজিস’।

বিবৃতিতে ‘নর্থওয়েস্টার্ন পলিটেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি’ বলেছে, এমন পরিবেশে ডজন ডজন বা শতাধিক ডুবোযানকে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়, দীর্ঘস্থায়ী ও সুসংহতভাবে চলাচলের সক্ষমতা দেওয়াটা আন্ডারওয়াটার ইনটেলিজেন্ট টুলের বৈশ্বিক ক্ষেত্রে সমসময়ই মূল চ্যালেঞ্জ।

ড্রোনগুলোর চলাচল সমন্বয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে রিয়েল-টাইম তথ্য। কোনো ইউনিট নির্ধারিত পথ থেকে বিচ্যুত হলে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা সেটিকে পুনরায় সঠিক রুটে ফিরিয়ে নেয়। ফলে পুরো দলটি একসঙ্গে ঝাঁকের মতো সমন্বিতভাবে চলাচল করতে সক্ষম হয়।

বিশেষ করে রেডিও সিগন্যাল সেখানে স্থলভাগের মতো নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করে না। এমন পরিস্থিতিতেও মানবিক হস্তক্ষেপ ছাড়া এতগুলো ড্রোনের সমন্বিত চলাচলকে গবেষকেরা স্বয়ংক্রিয় জলীয় প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন। একবার চার্জে ড্রোনগুলো ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে এবং টানা আট ঘণ্টার বেশি কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা রয়েছে।

পানির নিচে অবস্থান নির্ণয় ও আশপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণে ড্রোনগুলোতে ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। পানির স্রোতসহ বিভিন্ন কারণে চলার পথে বিচ্যুতি তৈরি হলেও স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পরিস্থিতি অনুযায়ী গতিপথ সংশোধন করতে পারে। গবেষকদের মতে, এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার ভবিষ্যতে সমুদ্রতলের জরিপ, পানির নিচের অবকাঠামো পর্যবেক্ষণ এবং তেল-গ্যাসের পাইপলাইন পরিদর্শনের মতো কাজে বাড়ানো সম্ভব।

উল্লেখ্য, নর্থওয়েস্টার্ন পলিটেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পানির নিচের সেন্সিং, অ্যাকোস্টিক যোগাযোগ ও ভিজ্যুয়াল পারসেপশন প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করছে।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর