বার্তা পরিবেশক:
কক্সবাজারের কলাতলী টিএম বার্মিজ মার্কেট নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করে আসছে দু’পক্ষই। এমনকি মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনও করে তারা। আইনি জটিলতা থাকায় কোন পক্ষই দোকানে প্রবেশ করতে পারেনি। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার ঠান্ডা মিয়া গং দোকানে প্রবেশ করে। এখরবটি প্রচার হয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে। সংবাদ টি মিথ্যা বলে দাবি করেন মরহুম শফিকুর রহমানের ওয়রিশগণ এবং দক্ষিন বাহার ছড়ার ১১নং ওয়ার্ডের আবদুল লতিফের ছেলে জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, বলেন, টিএম বার্মিজ মার্কেটের জমি ঝিলংজা মৌজার আ,এস, ৬৪৭ খতিয়ানের অধীনস্থ বন্দোবস্তী মোকদ্দমা নং ২২৮/১৯৪৭ -৪৮ ইং মুলে আর,এস,১২৪৭/৩৬৪ ও ১২৪৭/৩৬৫ নং খতিয়ানের আর,এস ৫৪৬/৯২১৬ নং দাগের ৩৪ একর ও ৫৪৬/৯২১৭ দাগের ১.০২ একর ৪৫৬৪/২১৫ দাগের ০.৪৫ একর ২৭৬/৯২১৮ দাগের ০.৫০ একর মোট ২.৩১ একর এম,আর,আর ৭৯৫ নং খতিয়ানের আর,এস ৫৪৬ দাগের এস ১৭৫১ নং খতিয়ানের বি,এস ২০০৩২, ২০০৩৩, ২০০২৯, ২০০৩৫, ২০০২৮ এবং ২০০০৩ দাগের ১.০২ একর জমি নিয়ে বর্তমানে কক্সবাজার যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে মামলা বিচারাধীন। যার নং অপর ৭৯১/২০২১। এদিকে চললাম কাজের নিষেধাজ্ঞা চেয়ে গত ৯ জানুয়ারি ফৌঃকাঃবি ১৪৪ ধারা জারী করে আদালত। এম.আর মামলা নং ৫৪/২০২৩ ইং। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অদৃশ্য শক্তি ব্যবহার
জোরপূর্বক দোকানে প্রবেশ করে। ঠান্ডা মিয়ার সন্তানেরা যথাক্রমে আবদুল ছবুর চৌধুরী, আবদুল গফুর, এনামুল হক, হোসনে আরা বেগম, রওশন আরা, জাফর ছাদেক রাজু, মোঃ রাসেল গায়ের জোর খাঁটিয়ে লোকবল নিয়ে অবৈধভাবে ভোরে দোকান দখলে নেয়। তারা ঐ জমি দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে দোকান হস্তান্তরের নামে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে টিএম বার্মিজ মার্কেট চালুর নামে মানুষের সাথে প্রতারনা করছে এনামুল হকসহ ঠান্ডা মিয়ার ওয়ারিশগণ। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই তাদের সাথে কোন প্রকার মারামারিতে লিপ্ত হয়নি।
মূলত ঠান্ডা মিয়ার ওয়ারিশগণ ১৭৫১, ৩১৭, খতিয়ান থেকে পাওনার চেয়েও বেশি জায়গা বাইরে বিক্রি করে দিয়েছে। কিন্তু তারা বলে বেড়াচ্ছে কোন জমি তারা বিক্রি করেনি। অথচ নকল খতিয়ান সৃজন করে জায়গা দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠে এনাম বাহিনী। শুধু তাই নয়, এনাম প্রতি মুহুর্তে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। আমরাও হাল ছাড়িনি। আইনের মাধ্যমে আমরা প্রমান করে জায়গায় প্রবেশ করবো।
প্রতিবাদকারী:
জাহাঙ্গীর আলম, জসিম উদ্দিন, সাজেদা বেগম, ছৈয়দ মোহাম্মদ মুসা, আবদুল করিম, নুর বেগম, শামসুন্নাহার, সর্ব সাং- শফিকুর রহমান গং। দক্ষিণ বাহারছড়া, ১১ নং ওয়ার্ড।