তবে ওই দুজনের পদত্যাগের পেছনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও তাদের শুভাকাঙ্ক্ষী মহলের মদদ আছে বলে মনে করছে বিএনপি। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের একাধিক দায়িত্বশীল নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুই নেতার পদত্যাগের নেপথ্য লক্ষ্য কার্যত দুটি। প্রথমত তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির ভবিষ্যৎ নিয়ে ওঠা আলোচনা বা বিতর্ককে আরও দৃঢ় করা এবং এই ইস্যুতে বিএনপিকে ব্যস্ত রাখা। দ্বিতীয়ত তারেক রহমান ইস্যু উসকে দিয়ে দলে বিভক্তি সৃষ্টি করা, যাতে মাঠপর্যায়ে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো যায়।
অবশ্য মো. হানিফ পদত্যাগের পেছনে ‘অন্য কিছু’ নেই বলে দাবি করেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার বয়স ৬৮ বছর। শরীরটা ভালো যাচ্ছে না। নতুন প্রজন্মকে সুযোগ করে দিতে পদত্যাগ করেছি।’
মো. হানিফ ও মো. শাহজাহান মিয়া পদত্যাগপত্রে স্বাস্থ্যগত কারণের কথা উল্লেখ করেছেন।
একসঙ্গে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে মো. হানিফ বলেন, ‘কথা ছিল আমি আগে পদত্যাগ করব, পরে উনি (মো. শাহজাহান মিয়া) করবেন। শেষে ওনার পরামর্শে দুজন একসঙ্গেই করলাম।’