মঙ্গলবার , ৮ নভেম্বর ২০২২ | ২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যারিয়ার
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তরুণ উদ্যোক্তা
  8. ধর্ম
  9. নারী ও শিশু
  10. প্রবাস সংবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  13. বহি বিশ্ব
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

কর্মসূচি থেকে হাসপাতালে গিয়ে আর ফেরা হলো না জাফরুলের

প্রতিবেদক
bdnewstimes
নভেম্বর ৮, ২০২২ ৯:০৯ অপরাহ্ণ


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: দলীয় কর্মসূচি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশ শেষে হাসপাতালে গিয়েছিলেন নিয়মিত কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য। হাসপাতাল থেকে আর ফেরা হলো না চট্টগ্রামের শীর্ষ বিএনপি নেতা সাবেক বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী। আকস্মিক এই মৃত্যুর খবর পেয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ২টায় তিনি চট্টগ্রাম নগরীর এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দক্ষিণ জেলা বিএনপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাফরুলের মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাফরুল ইসলাম চৌধুরী ১৯৫০ সালে ১৪ অক্টোবর বাঁশখালী ‍উপজেলার গুণাগরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ৭২ বছর বয়সী জাফরুল স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ স্বজনদের রেখে গেছেন। তিনি ডায়াবেটিস, কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান সারাবাংলাকে জানান, ৭ নভেম্বর উপলক্ষে সোমবার সকালে নগরীর ষোলশহর বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সমাবেশ ও র‌্যালিতে অংশ নিয়েছিলেন জাফরুল ইসলাম চৌধুরী। কর্মসূচি শেষ করে সেখান থেকেই তিনি নিয়মিত কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। কিন্তু হঠাৎ রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ায় ডায়ালাইসিস সম্ভব হয়নি।

রাতে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেওয়ার চেষ্টায় করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা হয়। সেখানেই মঙ্গলবার দুপুরে তিনি মারা যান।

নব্বইয়ের দশকে বিএনপির রাজনীতিতে যোগ দেওয়া চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে প্রথম সাংসদ নির্বাচিত হন। স্বল্পমেয়াদের ওই সংসদে অভিষেকের পর সপ্তম, অষ্টম ও ২০০৮ সালের নবম সংসদেও তিনি সদস্য ছিলেন। ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে তাকে বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছিল।

২০০৮ সালের নির্বাচনের পর বিরোধীদলে যাওয়া বিএনপি সাংগঠনিক সংকটের মধ্যে জাফরুলকে দক্ষিণ জেলা সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছিল। অসুস্থ শরীর নিয়েও দলীয় কর্মসূচিতে হাজির হতেন তিনি। বিএনপির ডাকা হরতাল-অবরোধে শাহ আমানত সেতু এলাকায় নেতাকর্মীদের নিয়ে অবস্থান নিতেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বুধবার সকাল ১০টায় জাফরুলের প্রথম নামাজে জানাজা নগরীর জমিয়তুল ফালাহ্ জামে মসজিদ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাঁশখালী জলদি হাইস্কুল মাঠ ও গুনাগরী বাঁশখালী ডিগ্রি কলেজ মাঠে আরও দুই দফা জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুতে আমরা ব্যথিত, শোকাহত, মর্মাহত। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল গভীর। অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও তিনি আন্দোলন-সংগ্রামে যেভাবে সাহসী নেতৃত্ব দিয়েছেন তা অনুকরণীয় এবং এজন্য দল ও নেতাকর্মীদের মাঝে চিরদিন বেঁচে থাকবেন। তার মৃত্যুতে জাতীয়তাবাদী দলের কর্মীরা একজন গুরুত্বপূর্ণ অভিভাবককে হারালো। এই শূন্যতা পূরণ হবার নয়।’

বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান শোক বিবৃতিতে বলেন, ‘জাফরুল ইসলাম চৌধুরী একজন দক্ষ সংগঠক ও নিঃস্বার্থ সমাজসেবক ছিলেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী ছিলেন। বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে তিনি দক্ষিণ চট্রগ্রামে দলকে সংগঠিত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তিনি একজন কর্মীবান্ধব নেতা ছিলেন। বিএনপি একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক নেতাকে হারিয়েছে।’

এছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছিরউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন ও সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলার আহবায়ক আবু সুফিয়ান ও সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি পাঠিয়েছেন।

সারাবাংলা/আরডি/পিটিএম





Source link

সর্বশেষ - খেলাধুলা