সোমবার , ২১ নভেম্বর ২০২২ | ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যারিয়ার
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তরুণ উদ্যোক্তা
  8. ধর্ম
  9. নারী ও শিশু
  10. প্রবাস সংবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  13. বহি বিশ্ব
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

‘ক্ষমতায় টিকে থাকতে আবার সেই জঙ্গি নাটক’

প্রতিবেদক
bdnewstimes
নভেম্বর ২১, ২০২২ ৯:১১ অপরাহ্ণ


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সরকার ‘আবার সেই জঙ্গি নাটক’ শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কী খোঁড়া যুক্তি? স্প্রে করে জঙ্গি ছিনতাই— কনভিক্টেড জঙ্গি। তাদেরকে একজন নাকি পুলিশ সদস্য নিয়ে আসতেছিল। এটা কেমন করে হতে পারে? অসম্ভব ব্যাপার। জনগণের কাছে প্রশ্ন জেগেছে- আবার সেই জঙ্গি নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে কিনা। যাতে করে ক্ষমতায় টিকে থাকা স্থায়ী হতে পারে, কিছুটা সময় পায়। আমরা জনগণের প্রশ্নটাই তুলে ধরলাম। আমরা বিশ্বাস করি, এসকল অশুভ চক্রান্ত থেকে সরকার সরে দাঁড়াবে।’

পুলিশের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা গুলি করে নয়ন মিয়াকে হত্যা করতে পারেন, শাওনকে হত্যা করতে পারেন। আর আদালত থেকে আপনাদের জঙ্গি উধাও হয়ে যায়, তখন আপনারা কিছুই করতে পারেন না। আমরা তো আদালতে যাই নিয়মিত, হাজিরা দিতে হয় আমাদের। আমরা তো দেখি- চতুর্দিকে পুলিশ। সেখানে এন্ট্রি, এক্সিট সবই নিয়ন্ত্রিত।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কিছুদিন হলো জঙ্গি জঙ্গি শুরু করেছে। তারপর উধাও করে দিলো। তা আবার কারা? অভিজিত (দীপন) হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত, যাদের শাস্তি হয়েছে। মার্কিন নাগরিক…। বিষয়টা হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। এটা হতেই পারে না। আজকে জনগণের কাছে এই প্রশ্নটা এসেছে কীভাবে আদালত থেকে আসামি ছিনতাই হয়ে যেতে পারে। তাও অভিযুক্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি।’

‘১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ নয়া পল্টনেই হবে’ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একটা কথা খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই, কুমিল্লায় ২৬ নভেম্বর, রাজশাহীতে ৩ ডিসেম্বর এবং ১০ তারিখ ঢাকায়। এই বিভাগীয় সমাবেশগুলো নির্দিষ্ট দিনে ঘোষিত স্থানেই হবে। সরকারে যদি ন্যুনতম শুভ বুদ্ধির উদয় হয়, তাহলে তাদের উচিত হবে সমাবেশগুলোতে বাধা প্রদান না করা এবং নিজেদেরকে এভাবে হাস্যকর অবস্থায় নিয়ে না যাওয়া।’

‘যখন তারা বলেন যে, আমরা সুন্দর ব্যবস্থা করছি,সমাবেশকে সমর্থন করছি, সহযোগিতা করছি তখন লোকে হাসে। মানুষজন তো প্রতিটা খবর রাখে। এখন তো ওই দিন নেই যে, সরকার যা বলে সব বিশ্বাস করতে হবে। এখন সোশ্যাল মিডিয়া দিয়ে মানুষ মুহূর্তের মধ্যে সমস্ত খবর পেয়ে যায়’— বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি জানান, গত ২২ আগস্ট থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ৯৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৪ হাজার ৪১২ জনকে এজহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে, ১০ হাজার ৬৬৪জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ৪৪৫ জনকে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘৭টি সমাবেশে জনস্রোত দেখে সরকার ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে গোটা দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। যেসব বিভাগে সমাবেশ হয়ে গেছে সেখানে হয়রানি করছে, মিথ্যা মামলা দিচ্ছে।’

‘বাকি তিনটা সমাবেশে যাতে লোক সমাগম না হয়, সেজন্য তারা মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকার গণসমাবেশকে বাধাগ্রস্থ করার কৌশল হিসেবে এখন আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাসী চালানো হচ্ছে। নেতারা কেউ বাসায় থাকতে পারছেন না’— বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর (উত্তর) বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, দুই সদস্য সচিব আমিনুল হক, রফিকুল আলম মজনু, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন, সদস্য সচিব শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সহ দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, নির্বাহী কমিটির সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ প্রমুখ।

সারাবাংলা/এজেড/এনইউ





Source link

সর্বশেষ - বিনোদন

আপনার জন্য নির্বাচিত