মঙ্গলবার , ১ নভেম্বর ২০২২ | ২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যারিয়ার
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তরুণ উদ্যোক্তা
  8. ধর্ম
  9. নারী ও শিশু
  10. প্রবাস সংবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  13. বহি বিশ্ব
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

‘তারেক-জোবাইদার বিরুদ্ধে পরোয়ানা প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ’

প্রতিবেদক
bdnewstimes
নভেম্বর ১, ২০২২ ৯:২৩ অপরাহ্ণ


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (০১ নভেম্বর) বিকেলে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

এর আগে, জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অজর্নের অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত তারেক রহমান ও তার সহধর্মিনী জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। বিচারক আসাদুজ্জামান দুদকের এই মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করে গ্রেফাতারি পরোয়ানার আদেশ দেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে যে মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ারা জারি করা হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নাই। আওয়ামী লীগ সরকার শুরু থেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য এসব মামলা করেছে। উদ্দেশ্য একটাই, এই সমস্ত মামলা করে তাদেরকে মূলত বাংলাদেশ থেকে দূরে সরিয়ে রাখা, রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখা। আমরা এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে এই গ্রেফাতারি পরোয়ানা ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই জানি, শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মিথ্যা মামলা দিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গৃহে অন্তরীণ করে রাখা হয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিদেশে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে।’

তারেক রহমানের সহধর্মিনী যিনি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত না, তিনি একজন চিকিৎসক। শুধুমাত্র এই পরিবারের বধূ হওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আপনারা যদি প্রথম থেকে দেখেন, পুরো বিষয়টা বিশ্লেষণ করেন তাহলে দেখবেন যে, ১/১১ ঘটনা হয়েছে বেগম খালেদা জিয়া ও জিয়া পরিবারকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার জন্য। বলা হয়েছে যে, মাইনাস টু। কিন্তু ঘটনা ঘটানো হয়েছে একটা পরিবারের বিরুদ্ধে।’

‘একইভাবে দেখেন গত ১৪ বছর নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিএনপিকে নির্মূল করে দেওয়ার জন্য যত রকমের নিপীড়নমূলক-নিবর্তনমূলক আইন, যত রকমের নির্যাতন-অত্যাচার করা হয়েছে, এটা হচ্ছে তারই একটা অংশ’— বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার শুরু থেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দিতে অসংখ্য মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। বিরোধী দলকে দমন করবার জন্য এবং দেশে বিরাজনীতিকরণের অবস্থা তৈরি করার জন্য মামলাকে তারা অস্ত্র হিসেবে নিয়েছে।’

আপদকালীন খাদ্য মজুদে সরকার ব্যর্থ হয়েছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর উক্তি ‘সামনের বছর দূর্ভিক্ষ হতে পারে’নিয়ে স্থায়ী কমিটির সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সভা মনে করে এই উক্তিতে এটা স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, সরকার আপদকালীন খাদ্য মজুদ করতে ব্যর্থ হয়েছে। একই সঙ্গে খাদ্য-শষ্য আমদানি গত চার মাসে প্রায় ৩৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এটা উদ্বেগজনক।’

তিনি বলেন, ‘সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য অধিদফতরের নজিরবিহীন দুর্নীতি , উদাসীনতা ও অযোগ্যতার কারণে খাদ্য নিরাপত্তা চরম হুমকির সম্মুখিন। একই সঙ্গে দূর্নীতির কারণে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পে ব্যয়ের ফলে ডলার সংকটে আমদানির জন্য এলসি খুলতে না পারায় আমদানিকে ব্যাহত করছে। রিজার্ভ থেকে অনৈতিকভাবে ডলার সরিয়ে নেওয়া, প্রবাসীদের আয় বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশ থেকে বিদেশে হুন্ডি করে প্রতিবছর ৭/৮ বিলিয়ন ডলার পাচার করে এই পরিস্থিতিকে জটিল করে ফেলেছে।’

সারাবাংলা/ এজেড/এনইউ





Source link

সর্বশেষ - খেলাধুলা