শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডক্টর হামিদুর রহমান আজাদ এর কৃতজ্ঞতা বিএনপি ও তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইল-৬ আসনে ধানের শীষের জয়, বড় ব্যবধানে নির্বাচিত লাভলু ঐতিহাসিক ব্যবধানে রাঙামাটিতে ধানের শীষের জয়, বিপুল ভোটে বিজয়ী দীপেন দেওয়ান কুষ্টিয়া ভোটে ভিন্ন চিত্র: দৌলতপুরে ধানের শীষ, বাকি তিনে দাঁড়িপাল্লা মৌলভীবাজারের চার আসনে বিএনপি’র নিরঙ্কুশ বিজয় Farrhana Bhatt Opens Up On Bonding With Amaal Mallik: ‘My Mom Treats Him Like A Son’ | Television News কিছু আসনে ফলাফল ঘোষণায় বিলম্বের অভিযোগ জামায়াত আমিরের গাজীপুর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মজিবুর রহমানের বিপুল ভোটে জয়, সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মুখর এলাকা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাংবাদিক পাসকার্ড; পাসকার্ড বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম

নির্বাচনে সংখ্যালঘুদের অংশগ্রহণ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে: সিজিএস

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৮ সময় দেখুন
নির্বাচনে সংখ্যালঘুদের অংশগ্রহণ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে: সিজিএস


ঢাকা: বেসরকারি সংস্থা সিজিএস সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেছেন, অতীতের নির্বাচনগুলো সঠিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ছিল না। জুলাই আন্দোলনের পর একটি ভালো নির্বাচনের আশা তৈরি হলেও বাস্তবে সংখ্যালঘুদের অংশগ্রহণ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

বৃহস্পতিবার(২২ জানুয়া‌রি) সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত “অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন: সংখ্যালঘু অধিকার, প্রতিনিধিত্ব ও গণতান্ত্রিক বিশ্বাসযোগ্যতা” শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনায় রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ, মানবাধিকার কর্মী, রাজনৈতিক নেতা ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

জিল্লুর রহমান বলেন, সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে কথা বলাই এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যা গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের গভীর সংকটের ইঙ্গিত।

গোলটেবিল আলোচনায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, ভোটাধিকার এখন আর ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় নেই; এটি কার্যত নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের আওতায় চলে গেছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও ভোটাধিকার নিশ্চিত না হলে আসন্ন নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য হবে না। বরং দেশে গণতন্ত্রের জায়গায় ‘মবোক্রেসি’ বা দলগত সহিংসতার রাজনীতি দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।

তারা বলেন, সংখ্যালঘুরা শুধু প্রতিনিধিত্ব থেকেই নয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অর্থবহ অংশগ্রহণ থেকেও বঞ্চিত। ভোট দিতে গেলেই নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা তৈরি হয়। অনেক ক্ষেত্রে ভোট পছন্দ প্রকাশ করাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, ঘরবাড়ি পোড়ানো ও সহিংসতার বিচার না হওয়ায় সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা ভেঙে পড়েছে। তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং উইটনেস ভিকটিম প্রোটেকশন অ্যাক্ট বাস্তবায়নের দাবি জানান।

ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, শুধু ধর্মীয় নয়, নারী ও অন্যান্য প্রান্তিক গোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে সহিংসতার ঘটনাগুলো গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং হটলাইন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে হবে।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও আদিবাসীদের স্বীকৃতি ও সংখ্যালঘুদের আত্মপরিচয়ের সংকট কাটেনি। তিনি অধিকারভিত্তিক ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

গণফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, “চেয়েছিলাম গণতন্ত্র, কিন্তু পেয়েছি মবোক্রেসি।” তার মতে, প্রতিটি সরকারের আমলেই সংখ্যালঘু নির্যাতন ও বৈষম্য চলেছে, সমাধান হয়নি।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর