বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন

বিজিবি সদস্য আকমল ও সন্ত্রাসী সুজন হত্যা মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৯৬ সময় দেখুন
বিজিবি সদস্য আকমল ও সন্ত্রাসী সুজন হত্যা মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট – Corporate Sangbad


আইন-আদালত


বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শা উপজেলার পাঁচভুলোট সীমান্তে বিজিবি ও চোরাকারবারীদের মধ্যে গুলি বিনিময়ে বিজিবি সদস্য আকমল ও সন্ত্রাসী সুজন হত্যা হামলা মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পিবিআই। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় দুইজনের অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে। মামলার তদন্ত শেষে সোমবার যশোর আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্তকর্তা পরিদর্শক মাহাবুবুর রহমান।

অভিযুক্ত আসামিরা হলো বেনাপোল পোর্ট থানার কাগমারী গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে শিমুল হোসেন ওরফে শিমুল আক্তার, মুছা করিমের ছেলে আশিক হোসেন ওরফে আশিকুর, রুহুল আমিনের ছেলে হাবিবুর রহমান ওরফে আবু বক্কার সিদ্দিক ও শার্শা থানার অগ্রভুলোট গ্রামের মৃত মজুম গাজীর ছেলে শাহ আলম গাজী।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২৬ জুলাই সন্ধ্যা ৭ টায় খুলনা ২১ বিজিবি‘র একটি টহলদল নিয়মিত টহলের উদ্দেশ্যে পাঁচভুলোট গ্রামের ব্রিজের কাছে অবস্থান নেন। এর মধ্যে পূর্বদিক থেকে ৪ জন লোক দুইটি ব্যাগ হাতে তাদের কাছাকাছি আসলে দাঁড়াতে বলে বিজিবি। তাদের মধ্যে একজন একটি ব্যাগ বিজিবির টহল দলের মধ্যে ছুঁড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ব্যাগে থাকা বোমার বিস্ফোরণ ঘটলে বিজিবি সদস্য হাবিলদার আকমল হোসেন গুরুতর আহত হয়। এসময় ধাওয়া করে দুইজনকে আটক করা হয়। পুলিশ সংবাদ দিলে ঘটনাস্থলে আসে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে অগ্রভুলোট গ্রামের অজিত মোড়লের আমবাগানে বিজিবি ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। এসময় চোরাকারবারীরা বিজিবি ও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ও বোমা হামলা শুরু করে আটক আসামিদের ছিনিয়ে নেয়ার জন্য। বিজিবি ও পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার সময় সুজন গুলিবিদ্ধ হয়। তল্লাশি করে আমবাগান থেকে ৩শ’বোতল ফেনসিডিল, ২০৩ পিচ ইয়াবা ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর বেনাপোল পোর্ট থানার কাগজপুকুর গ্রামের মোস্তফা কামালের ছেলে সুজন মারা যায়। ২৯ জুলাই বিজিবি সদস্য আকমল হোসেন ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালে মারা যান। নিহত হাবিলদার আকমল হোসেন রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।

এ ঘটনায় ২৭ জুলাই বিজিবির সুবেদার মুন্সি লাবলুর রহমান বাদী হয়ে আটক আসামিসহ অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে শার্শা থানায় মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ পরে পিবিআই তদন্তের দায়িত্ব পায়। এ মামলার তদন্ত শেষে হত্যা ও বোমা হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়ায় ওই চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আটক সিরাজুল ইসলাম গাজী ও সাইদুল ইসলাম ঝন্টুর অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর